যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকখাতের অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা সোনার বাজারে বিনিয়োগ শুরু করেন। হঠাৎ করে চাহিদা বাড়ায় সোনার দামও বাড়তে থাকে।
বুধবার স্পট গোল্ড প্রতি আউন্স ১ হাজার ৯৬১ দশমিক ৮০ ডলারে ক্রয়-বিক্রয় হয়েছে। যা আগের দিনের তুলনায় ০ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এর আগের দিন অবশ্য দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। অপরদিকে বুধবার ফিউচার গোল্ড প্রতি আউন্স বেঁচা-কেনা হয়েছে ১ হাজার ৯৬৩ দশমিক ১০ ডলারে। যা আগের দিনের তুলনায় ০ দশমিক ৫ শতাংশ কম।
.png)
আরো পড়ুন>> রাশিয়ার সামরিক মহড়ায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইয়ার্স’
অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার বিষয়টি সোনাকে শেষ পর্যন্ত সহায়তা দিয়ে যাবে। তবে আগামী কয়েক সপ্তাহে সোনার দামে আবারও দেখা দিতে পারে অস্থিরতা। যদি যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক সংকট বাড়তেই থাকে।
বুধবারের তথ্যানুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের আস্থা মার্চ মাসে অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়েছে, যেখানে ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন পণ্যের বাণিজ্য ঘাটতি কিছুটা বেড়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির পতন হয়েছে। ফলে প্রায় ৯০ শতাংশ বিনিয়োগকারী মনে করেন, বেসিস পয়েন্টের বেশি দাম বাড়াবে না দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)। এমনটি হলে ডলারের দাম আরো কমবে।
সূত্র: রয়টার্স