মসজিদে লাউডস্পিকারের সংখ্যা কমানো, নামাজের ছবি তোলা ও লাইভ সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে দেশটিতে। সব ধরনের মিডিয়ায় নামাজের সম্প্রচার করা যাবে না। একই সঙ্গে মসজিদে ইতিকাফের অনুমোদন দেবেন ইমাম এবং তিনিই ইতিকাফকারীদের তথ্য জানার দায়িত্ব পালন করবেন।
জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ইমাম ও মুয়াজ্জিন মসজিদে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না বলেও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারাবি নামাজ দীর্ঘ করা যাবে না। এ ছাড়া রমজানের শেষ ১০ দিন ফজর আজানের আগেই তাহাজ্জুদ শেষ করতে হবে, যাতে ফজর নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের সমস্যা না হয়।
.png)
আরো পড়ুন>> লন্ডন পুলিশের বিরুদ্ধে বর্ণবাদ-নারীবিদ্বেষের গুরুতর অভিযোগ
মসজিদে ইফতারের জন্য মুসলিদের থেকে আর্থিক অনুদান সংগ্রহের ক্ষেত্রেও দেয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। ইফতার এবং এ জাতীয় আয়োজনের জন্য মসজিদের ভেতরের জায়গার পরিবর্তে বাহিরের জায়গা ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং এসব আয়োজন ইমাম ও মুয়াজ্জিনের দায়িত্বে পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
এ নিয়ে অনেকের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ বলছে, মসজিদে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় এসব নিয়ম জারি করা হয়েছে।
এক প্রবাসী ব্যবসায়ী বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে রমজান মাসে ওমরাহ পালন করতে প্রায় ৮ লক্ষ ধর্মপ্রাণ মুসলমানের সৌদিতে আসার কথা রয়েছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবং কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা যেন না হয় সে কারণেই এই বিধি নিষেধ দিয়েছে সৌদি সরকার।
এছাড়াও রমজানে সৌদি আরবে সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কমানো হয়েছে কাজের সময়।