বুধবার (০৮ মার্চ) মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
৪৮ বছর বয়সী ওই প্রকৌশলীর নাম ঘাসান আল শারবি। মুক্তির আগ পর্যন্ত তাকে টানা ২০ বছর বন্দি রাখা হয়। নাইন ইলেভেন হামলার পর সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়।
.png)
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, গত বুধবার ঘাসান আল শারবির মুক্তির বিষয়টি জানায় মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ। প্রতিরক্ষা বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়, শারবিকে সৌদি আরবে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
আরো পড়ুন>> প্রমোদতরীতে অজানা ভাইরাসে আক্রান্ত ৩ শতাধিক
খবরে বলা হয়, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেন্টাগনের একটি পর্যালোচনাকারী বোর্ড সিদ্ধান্ত নেয়, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য হুমকি সৃষ্টি করছেন না। তাই তাকে আর আটকে রাখার প্রয়োজন নেই।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, 'নিরন্তর নিরীক্ষা, ভ্রমণের ওপর বিধিনিষেধ ও ধারাবাহিকভাবে তথ্য ভাগাভাগি করার মতো বোধগম্য নিরাপত্তা উদ্যোগের বাস্তবায়ন সাপেক্ষে শারবিকে সৌদি আরবে স্থানান্তর করা হয়েছে।’
বোর্ডের সিদ্ধান্তে বলা হয়, শারবি জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার কোনো নেতা বা সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করেননি এবং তিনি আটকাবস্থায় সব ধরনের নীতি মেনে চলেছেন।
আরো পড়ুন>> মার্কিন সামরিক একাডেমিতে রেকর্ড হারে বেড়েছে যৌন হয়রানি
'শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা' রয়েছে তার। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়নি সেখানে। তবে শাবরির আটকের পর যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, নাইন ইলেভেন হামলার পরই শারবি পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বোমা তৈরির ওপর প্রশিক্ষণ নেন। পরের বছর অর্থাৎ ২০০২ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত ‘সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ’র পর আটক বন্দিদের গুয়ানতানামো বে বন্দি শিবিরে রাখা হয়। শারবির মুক্তির পর এখনো ৩১ জন বন্দি সেখানে রয়েছেন।
দীর্ঘ সময় শারবির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি, তাকে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি অনুমোদন দেয়া হয়নি। বছরের পর বছর শারবিকে ‘শত্রুপক্ষের যোদ্ধা’ হিসেবে আটকে রাখে যুক্তরাষ্ট্র।