তিনি বলেন, আমরা এটি খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। আমরা এটি নিয়ে একটু চিন্তা করলাম এবং মনে হলো এটি বিশেষ কিছু। সুতরাং আমি এ ঝিনুকটি মারতে চাইনি।
পরে পার্কার ঝিনুকটি প্যানেসিয়ার গালফ স্পেসিমেন মেরিন ল্যাবে নিয়ে যান। সেখানে গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন, এটি সাধারণ ঝিনুকের চেয়ে অনেক বড়। সাধারণ ঝিনুক ওজনে আধা পাউন্ড এবং লম্বায় ৪.৩ ইঞ্চি হয়। কিন্তু পার্কারের পাওয়া ঝিনুকটি ছিল ৬ ইঞ্চি।
.png)
ধারণা করা হচ্ছে— এ ঝিনুকের জন্ম ১৮০৯ সালে, যে সালে জন্ম নিয়েছিলেন আব্রাহাম লিংকন।
ল্যাবের কর্মকর্তারা জানান, পার্কারের পাওয়া ঝিনুকটি বিশ্বের চতুর্থ বয়স্ক, যা পরে মেক্সিকো উপসাগরে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এর আগে আইসল্যান্ডের উপকূলে সর্বোচ্চ বয়স্ক ঝিনুকটি পাওয়া যায় ২০০৭ সালে, এর বয়স ছিল ৫০৭ বছর। সূত্র : ইউপিআই।