শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের একটি সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করলেন এক আদিবাসী দম্পতি।
যদিও ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাল্টা দাবি, অ্যাম্বুল্যান্স আসার মিনিট পনেরো আগেই হাসপাতাল থেকে রওনা দেন মৃত শিশুটির মা-বাবা।
.png)
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ২ ফেব্রুয়ারি অল্লুরি সীতারামারাজু জেলার একটি সরকারি হাসপাতালে জন্ম হয় শিশুটির। তবে শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকায় তাকে বিশাখাপত্তনমের অন্য সরকারি হাসপাতালে রেফার করা হয়েছিল। সেখানেই ভেন্টিলেশনে ছিল সে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ১৪ দিনের শিশুটি মারা যায়।
আরো পড়ুন>> স্ত্রীকে ভালবাসার প্রমাণ দিতে হাতে বিয়ের কাবিন ট্যাটু করালেন যুবক!
তার মা-বাবার অভিযোগ, গ্রামের বাড়ি ১২০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা দিতে রাজি হননি ওই হাসপাতালের কর্মীরা। এরপর নিজেরাই মৃত সন্তানের দেহ স্কুটিতে চাপিয়ে বাড়ির পথে রওনা দেন। ১০০ কিলোমিটারের বেশি যাওয়ার পর জেলা হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুল্যান্স পাঠানো হয় তাদের কাছে।
শুক্রবার এই অভিযোগের জবাবে একটি বিবৃতিতে বিশাখাপত্তনমের ওই হাসপাতালের সুপার পি অশোক কুমারের দাবি, ‘‘হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা মেলেনি, এমন নয়। আমাদের হাসপাতালে অ্যাম্বুল্যান্স না থাকলে বেসরকারি অ্যাম্বুল্যান্সের বন্দোবস্ত করা হয়। তার ভাড়াও মেটাই আমরা।’’
ওই বিবৃতিতে আরো দাবি, বৃহস্পতিবার রাত ৭টা ৫০ মিনিটে শিশুটির মৃত্যুর পর রাত সোয়া ৯টা নাগাদ অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করা হয়। যদিও তার আগেই রাত ৯টা নাগাদ স্কুটিতে করে শিশুটির দেহ নিয়ে যান ওই দম্পতি।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার