মঙ্গলবার বিকেলে ২২ বছর বয়সী এ যুবক তার দুই বন্ধুর সঙ্গে একটি স্কুটিতে চড়ে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
গুরুতর জখম অবস্থায় অমিতকে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গভীর রাতে অবস্থার আরো অবনতি হলে নিয়ে আসা হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানেই বুধবার সকালে মারা যান অমিত।
.png)
এদিকে অমিতের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হাজার হাজার তার অনুরাগী। মারা যাওয়ার আগে ইউটিউবে যে শেষ ভ্লগ পোস্ট করেছিলেন অমিত, তাতে দেখা গিয়েছিল তিনি বন্ধুদের নিয়ে গিয়েছিলেন আলিপুর জেল মিউজিয়ামে। কারাগারে নিজেকে লেন্সবন্দি করে তাকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘আমার ফাঁসি হবে! এখন কারাগারে বন্দি।’
নিজেকে কখনোই বিশেষভাবে সক্ষম ভাবতেন না তিনি। কখনও চাননি এটা তার পরিচয় হোক। ইউটিউবে অমিতের সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা চমকে দেওয়ার মতো বটে। ৩ লাখ ৯০ হাজার মানুষ ফলো করতেন অমিতকে। রোজনামচা থেকে জীবনের বিশেষ বিশেষ মুহূর্ত, সবটাই ভাগ করে নিতেন সকলের সঙ্গে।
নিম্নবিত্ত পরিবারেই বেড়ে ওঠা। অমিতের বাবা-মা স্থানীয় পৌরসভায় চুক্তিভিত্তিক কর্মী। তবে নানা আর্থিক জটিলতা সত্ত্বেও ছেলের স্বপ্নপূরণে সাহায্য করেছেন সব সময়। এদিকে অমিতের এভাবে চলে যাওয়ায় ভেঙে পড়েছে তার পরিবার।