বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজ্যের কোঝিকোড় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হয় শিশুটি।
জিয়া জানিয়েছেন, তাদের সন্তান এবং জাহাদ দু’জনেই সুস্থ আছেন। ২৩ বছর বয়সী রূপান্তরিত পুরুষ জাহাদ এবং ২১ বছর বয়সী রূপান্তরিত মহিলা জিয়া কিছু দিন আগে নিজেদের ইনস্টাগ্রামে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
.png)
এবার সন্তান আসার খবর সঙ্গে ভাগ করেছেন তিনি। জিয়া ইনস্টাগ্রামে সদ্যোজাতটির হাতের একটি অংশের ছবি দিয়ে লেখেন, ‘আমাদের স্বপ্নের স্বর শুনতে পেলাম। দু’চোখ বেয়ে নেমে আসছে আনন্দাশ্রু। সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর শুভেচ্ছায়, প্রার্থনায় কোনো সমস্যা ছাড়াই আমাদের সন্তান পৃথিবীর আলো দেখেছে। এই কঠিন সময়ে যারা আমার পাশে ছিলেন তাদের ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই।’
আরো পড়ুন>> ধ্বংসস্তূপ ঘুরে দেখলেন এরদোগান, কথা বললেন বেঁচে যাওয়াদের সঙ্গে
তিন বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কে রয়েছেন জাহাদ-জিয়া। দেখা হওয়ার পরও তারা হরমোন থেরাপির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে তাদের মনে অভিভাবক হওয়ার ইচ্ছে আগে থেকেই ছিল। তাই কিছুদিনের জন্য তারা হরমোন থেরাপি বন্ধ রেখেছিলেন। শিশুর জন্মের পর আবার তারা হরমোন থেরাপি শুরু করবেন।
সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিয়া জানিয়েছিলেন, প্রথম থেকেই তারা সন্তান চেয়েছিলেন। রূপান্তরকামীরাও যে সাধারণ নিয়মেই অভিভাবক হতে পারেন সেই উদাহরণই সবার সামনে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন তারা।
আরো পড়ুন>> মহাকাশ থেকে বাংলাদেশের ছবি তুললেন বিজ্ঞানীরা
অভিভাবক হতে পেরে জাহাদ-জিয়া দু’জনেই খুব খুশি। কিছুদিন আগেই অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ফটোশুটও করিয়েছেন তারা। জিয়া ইনস্টাগ্রামে ভাগ করে নিয়েছেন সেই সব ছবি। ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয় নানা মহলে।
আলোচিত সেই ছবিগুলোয় দেখা যায়, খালি গায়ে স্ফীত উদরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন জাহাদ। চোখেমুখে খুশির জেল্লা। শাড়ি পরে দক্ষিণী সাজে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন জিয়া।
সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার