ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

পুলিশের পোশাকে ঢুকেছিল পেশোয়ার মসজিদে বোমা হামলাকারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:৫৯, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
পুলিশের পোশাকে ঢুকেছিল পেশোয়ার মসজিদে বোমা হামলাকারী
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ায় মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারী পুলিশের পোশাকে মসজিদে ঢুকেছিল বলে জানিয়েছেন প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান মোয়াজ্জাম জাহ আনসারি।

বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিনি বলেন, পেশোয়ার পুলিশ লাইনস এলাকায় অবস্থিত মসজিদে আত্মঘাতী হামলার পিছনে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে ‘চিহ্নিত’ করছে পুলিশ। বোমা হামলাকারী ‘পুলিশের ইউনিফর্ম পরিহিত’ ছিল বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

গত ৩০ জানুয়ারী, পেশোয়ারের রেড জোন এলাকার একটি মসজিদের মধ্যে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে যেখানে ৩০০ থেকে ৪০০ জন লোক - বেশিরভাগ পুলিশ অফিসার - নামাজের জন্য জড়ো হয়েছিল৷ আত্মঘাতী বিস্ফোরণ মসজিদের প্রাচীর এবং একটি অভ্যন্তরীণ ছাদ উড়িয়ে দেয় এবং এতে ১০১ জন নিহত হয়।

Advertisement

আরো পড়ুন>> মাত্র ৮ দিনে ১০ হাজার কোটি ডলার খোয়ালেন আদানি

হামলাকারী পুলিশের পোশাক পরে ভেতরে প্রবেশ করেছিলেন। এসময় তিনি পুলিশের ইউনিফর্ম এবং হেলমেট পরে ছিলেন। এ কারণে তাকে কোনো ধরণের তল্লাশি ছাড়াই ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়।

এদিকে হামলাকারীর মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে সিসিটিভি ফুটেজের সাথে ঘটনাস্থলে পাওয়া মাথার মিল পাওয়ার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হন তদন্তকারীরা।

আনসারির দাবি, হামলাকারীর পিছনে একটি পুরো নেটওয়ার্ক রয়েছে। হামলাকারী একা এত বড় হামলার পরিকল্পনা করেনি। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তান তালেবানকে সন্দেহ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে জঙ্গি হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব হামলার পেছনে পাকিস্তানি তালেবানের হাত ছিল। হামলাগুলোর টার্গেট ছিল পুলিশ সদস্যরা।

আরো পড়ুন>> পরীক্ষার হল ভরা ছাত্রী দেখে জ্ঞান হারালো ছাত্র!

এবার যে মসজিদে হামলা হয়েছে তা পুলিশ সদর দফতরের মধ্যেকার একটি মসজিদ। শত শত পুলিশ তখন দুপুরের নামাজ পড়ছিলেন। বিস্ফোরণটি এত ভয়াবহ ছিল যে মসজিদের একাংশ উড়ে গেছে। এই মসজিদটি শহরের সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত এলাকা। এর আশেপাশেই রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদর দপ্তর। আঞ্চলিক সচিবালয়ও ওই এলাকায়ই অবস্থিত। ফলে এত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কীভাবে হামলা হলো তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে পাকিস্তানের সবচেয়ে মারাত্মক হামলা।

২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তান দখলে নেয়ার পর থেকেই পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই মাত্রার হামলা এর আগে হয়নি।

সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!