ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই নারীর নাম সুনীতা দেবী। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে জরায়ুজনিত সমস্যার কারণে তাকে মুজাফফরপুরের বারিয়ারপুর এলাকার একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু ওই নার্সিংহোমে জরায়ু অপসারণের নামে অস্ত্রোপচার করে তার দু’টি কিডনি বার করে নেয়া হয় বলে অভিযোগ।
প্রথম দিকে স্ত্রীর যত্ন নিলেও ঘটনার চার মাস পরে, সুনীতা এবং তিন সন্তানকে রেখে পালিয়ে যান সুনীতার স্বামী।
.png)
সংবাদমাধ্যমে সুনীতা বলেন, ‘‘আমার স্বামী আমাকে বলেছিলেন যে, আমার সঙ্গে বেঁচে থাকা দায় এবং আমি বেঁচে থাকি বা মরে যাই, তাতে তার কিছু যায় আসে না।’’
আরো পড়ুন>> যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি নিয়ে ভয়াবহ বার্তা দিল আইএমএফ
সুনীতার কথায়, “আমার তিন সন্তান আছে। আমার স্বামী তাদের আমার কাছে রেখে গিয়েছেন। এখনও আমি হাসপাতালে ভর্তি। মৃত্যুর দিন গুনছি। আমি যখন সুস্থ ছিলাম তখন শ্রমিকের কাজ করতাম এবং পরিবারের দেখাশোনা করতাম। এখন যেহেতু আমি অসুস্থ, সেই জন্যই আমার স্বামী আমাকে ছেড়ে চলে গেছেন।”
৩৮ বছর বয়সী সুনীতা বর্তমানে মুজাফফরপুরের একটি সরকারি হাসপাতালে ভর্তি এবং নিয়মিত তার ডায়ালাইসিস চলছে। ছেড়ে চলে যাচ্ছেন বলে জানানোর আগেও তার স্বামী তার যত্ন নিচ্ছিলেন বলে সুনীতা জানিয়েছেন।
হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সুনীতার জন্য উপযুক্ত কিডনি দাতা খুঁজে বার করার প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু এখনও কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।