অতিরিক্ত মানসিক চাপের ফল-আইবিএস
বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী The Lancet এবং American Gastroenterological Association (AGA) এ প্রকাশিত একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬০% থেকে ৮০% IBS রোগীর পরিপাকতন্ত্রের এই প্যাথলজিক্যাল সমস্যার মূল চালিকাশক্তি হলো তাদের দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ, অ্যাংজাইটি বা মানসিক ট্রমা।
কোনো কারণ ছাড়াই প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠলেই পেট মোচড় দিয়ে ওঠে? স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেও পেট ফেঁপে যায়? কিংবা হুটহাট তীব্র মলত্যাগের বেগ আসে? অথচ ডাক্তার দেখিয়ে, এন্ডোস্কোপি-কলোনস্কোপি বা সব টেস্ট করিয়েও রিপোর্টে কিচ্ছু আসছে না?
আজকে আমরা জানবো এমন একটি রোগ নিয়ে, যা হতে পারে মন ও মস্তিস্কের অতিরিক্ত মানসিক চাপের ফসল। যার নাম- IBS (Irritable Bowel Syndrome)। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় Disorder of Gut-Brain Interaction (DGBI) বা মস্তিষ্ক ও অন্ত্রের পারস্পরিক যোগাযোগের ব্যাঘাত।
মেডিকেল সায়েন্সের আন্তর্জাতিক গাইডলাইন (Rome IV Criteria) অনুযায়ী IBS-কে মূলত ৩টি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়:
১. IBS-D (Diarrhea Predominant): এতে রোগীদের প্রধান সমস্যা থাকে ঘন ঘন পাতলা পায়খানা, পেটে তীব্র মোচড় এবং হুটহাট বাথরুমের বেগ পাওয়া।
২. IBS-C (Constipation Predominant): এখানে মলত্যাগ অত্যন্ত কঠিন বা শক্ত হয়ে পড়ে। সপ্তাহে ৩ বারের কম মলত্যাগ হওয়া এবং সারাক্ষণ পেট ভারী থাকার অনুভূতি কাজ করে।
৩. IBS-M (Mixed/Alternating): এটি সবচেয়ে বিরক্তিকর। এতে রোগীর কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য, আবার কয়েকদিন পর হুট করেই ডায়রিয়া শুরু হয়ে যায়।
এ ছাড়া, এই তিনটির কোনোটিতে স্পষ্টভাবে না পড়লে তাকে IBS-U (Unclassified) বলা হয়।
- আপনি হয়তো ভাবছেন মানসিক চাপ মাথায় থাকলে তা পেটে এসে কীভাবে প্যাথলজিক্যাল সমস্যা তৈরি করে! আমাদের ব্রেন আর পেট সরাসরি Vagus Nerve এবং HPA-Axis (Hypothalamic-Pituitary-Adrenal Axis) নামক একটি দ্বিমুখী স্নায়বিক হাইওয়ের মাধ্যমে যুক্ত।
আপনি যখন অনবরত স্ট্রেসের মধ্যে থাকেন, তখন আপনার শরীরে অতিরিক্ত 'কর্টিসল' হরমোন ক্ষরিত হয়, যা শরীরের ভেতরে ৩টি বড় গোলযোগ তৈরি করে:
১. আমাদের পরিপাকতন্ত্রে কোটি কোটি স্নায়ু বা নিউরন থাকে, যাকে বলা হয় Enteric Nervous System বা 'সেকেন্ড ব্রেন'। স্বাভাবিক অবস্থায় এরা ব্রেনের সাথে মিলেমিশে খাবার হজমের জন্য অন্ত্রের পেশিগুলোকে সুন্দর তরঙ্গের মতো ছন্দময়ভাবে সংকুচিত ও প্রসারিত করে, যাকে বলা হয় Peristalsis।
কিন্তু স্ট্রেস হরমোন বেড়ে গেলে এই ছন্দ ওলটপালট হয়ে যায়। পেশিগুলো যদি অতিরিক্ত দ্রুত সংকুচিত হয়, তখন খাবার অন্ত্র দিয়ে খুব দ্রুত পাস হয় এবং পানি শোষিত হওয়ার সময় পায় না, ফলে শুরু হয় ডায়রিয়া (IBS-D)। আবার সংকোচন যদি খুব দুর্বল বা ধীরগতির হয়, তখন মল জমে দেখা দেয় কোষ্ঠকাঠিন্য (IBS-C)।
২. দীর্ঘদিন ধরে দুশ্চিন্তা করলে অবচেতন মন মনে করে আমরা কোনো বড় বিপদে আছি এবং শরীর 'ফাইট অর ফ্লাইট' মোড অন করে দেয়। শরীর তখন পরিপাকতন্ত্র থেকে রক্তপ্রবাহ ও শক্তি কমিয়ে দিয়ে হাত-পা আর হার্টে রক্ত পাঠাতে থাকে। পর্যাপ্ত রক্ত আর পাচক রসের অভাবে পরিপাকতন্ত্রের গতি কমে যায় এবং পেটের স্নায়ুগুলো মারাত্মক Hyper-sensitive বা অতি-সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।
সুস্থ মানুষের পেটে সামান্য গ্যাস জমলে ব্রেন তা টের পায় না, কিন্তু IBS আক্রান্তদের পেটে একটুখানি গ্যাস বা মল জমলেই অতি-সংবেদনশীল স্নায়ুগুলো ব্রেনে তীব্র ব্যথার সিগন্যাল পাঠায়।
৩. আমাদের পেটে বিলিয়ান বিলিয়ন উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা 'গাট মাইক্রোবায়োম' থাকে, যা আমাদের খাবার হজম করতে এবং মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে। মজার ব্যাপার হলো, আমাদের শরীরের 'সেরোটোনিন' (যা আমাদের খুশি রাখে) হরমোনের প্রায় বেশিরভাগই তৈরি হয় এই পেটের ব্যাকটেরিয়া থেকে। কিন্তু ক্রনিক স্ট্রেস এই ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলে।
ফলে অন্ত্রের ভেতরের সুরক্ষাকবচ বা দেয়াল দুর্বল হয়ে পড়ে (Epithelial Barrier Dysfunction)। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে 'লিকি গাট' (Leaky Gut) বলা হয়। এই দেয়াল আলগা হয়ে গেলে ক্ষতিকর টক্সিন ও ব্যাকটেরিয়া পেটের ভেতরের কোষে ঢুকে একধরণের মৃদু স্থায়ী প্রদাহ বা Low-grade Inflammation তৈরি করে, যা প্রতিনিয়ত মিউকাশ বা আমাশয় বের হওয়া এবং পেট খারাপের অন্যতম বড় কারণ।
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, "আমি তো সবসময় টেনশনে থাকি না, তাহলে আমার কেন আইবিএস হলো?" চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে, শুধু মস্তিস্কের চাপ নয়, আরো কিছু শারীরিক কারণেও আইবিএস হতে পারে।
যেমনঃ
১. পোস্ট-ইনফেকশাস আইবিএস (Post-Infectious IBS): আপনার কি অতীতে কখনো মারাত্মক ফুড পয়জনিং, টাইফয়েড, আমাশয় বা তীব্র ডায়রিয়া হয়েছিল? গবেষণায় দেখা গেছে, গুরুতর পেটের ইনফেকশন থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরও প্রায় ১০% মানুষের অন্ত্রের স্নায়ু স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বা অতি-সংবেদনশীল হয়ে পড়ে, যা পরবর্তীতে ক্রনিক আইবিএস-এ রূপ নেয়।
২. সিবো বা ক্ষুদ্রান্ত্রে ব্যাকটেরিয়ার অতিরিক্ত বৃদ্ধি (SIBO - Small Intestinal Bacterial Overgrowth): সাধারণত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের ক্ষতিকর বা ফার্মান্টিং ব্যাকটেরিয়াগুলো থাকে বৃহদন্ত্রে (Large Intestine)। কিন্তু কোনো কারণে (যেমন: অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন) এই ব্যাকটেরিয়াগুলো যদি ভুল করে ক্ষুদ্রান্ত্রে (Small Intestine) এসে অতিরিক্ত বংশবৃদ্ধি করে, তবে যেকোনো কার্বোহাইড্রেট বা সাধারণ খাবার খেলেই তারা পেটের ভেতর প্রচুর হাইড্রোজেন ও মিথেন গ্যাস তৈরি করে পেট ফুলিয়ে ফেলে।
৩. হরমোনের তারতম্য (Hormonal Fluctuations): পুরুষদের তুলনায় নারীরা IBS এ অধিক আক্রান্ত হন। বিশেষ করে পিরিয়ড বা মাসিকের দিনগুলোতে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের আকস্মিক ওঠানামার কারণে অন্ত্রের গতিশীলতা (Gut Motility) এবং সংবেদনশীলতা মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়, ফলে নারীদের পেটের সমস্যা হুট করে বেড়ে যায়।
বিশ্ববিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী The Lancet এবং American Gastroenterological Association (AGA) এ প্রকাশিত একাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬০% থেকে ৮০% IBS রোগীর পরিপাকতন্ত্রের এই প্যাথলজিক্যাল সমস্যার মূল চালিকাশক্তি হলো তাদের দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ, অ্যাংজাইটি বা মানসিক ট্রমা।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের আধুনিক ট্রায়ালগুলোতে প্রমাণিত হয়েছে যে, ব্রেনকে শান্ত না করে IBS কখনোই পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব নয়।
তাহলে IBS থেকে মুক্তির উপায় কী? যেহেতু আইবিএস একেক জনের শরীরে একেক ভাবে দেখা দেয়, তাই IBS এর ধরন বা টাইপ অনুযায়ী সঠিক নিয়ম মানতে হবে।
১. আপনি যদি IBS-D (ডায়রিয়া প্রধান) এর রোগী হন: দুগ্ধজাত খাবার (ল্যাকটোজ), অতিরিক্ত ক্যাফেইন (চা-কফি), কৃত্রিম মিষ্টি এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ত বা মশলাযুক্ত খাবার সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন।
২. আপনি যদি IBS-C (কোষ্ঠকাঠিন্য প্রধান) এর রোগী হন: খাবারে দ্রবণীয় ফাইবারের পরিমাণ বাড়ান। তবে গম বা লাল আটার ফাইবারে পেট ফাঁপলে ওটস বা নরম শাকসবজি থেকে ফাইবার নিন। সারাদিনে অন্তত আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান নিশ্চিত করুন। প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটার অভ্যাস করুন, যা অলস হয়ে পড়া অন্ত্রের পেশিগুলোকে সচল করতে সাহায্য করবে।
৩. আপনি যদি IBS-M (মিক্সড/পর্যায়ক্রমিক) এর রোগী হন: পেঁয়াজ, রসুন, আপেল, তরমুজ, গম এবং দুগ্ধজাত খাবারের মতো কিছু খাবারে এক ধরণের বিশেষ শর্করা থাকে, যাকে বলা হয় FODMAP। আইবিএস আক্রান্তদের পরিপাকতন্ত্র এই শর্করা সহজে শোষণ করতে পারে না।
- ফলে এগুলো পেটের ভেতর গিয়ে খুব দ্রুত গেঁজিয়ে বা পচে ওঠে এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো এগুলোকে ভেঙে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস ও বাড়তি পানি তৈরি করে, যা আপনার পেট ফাঁপা ও তীব্র মোচড়ের প্রধান কারণ। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে এই উচ্চ FODMAP খাবারগুলো সাময়িক বন্ধ রাখা প্রয়োজন হতে পারে।
প্রতিদিন কী খাচ্ছেন এবং কোন খাবারের পর পেট খারাপ হচ্ছে তা একটি ডায়েরিতে নোট করুন।
কারণ, উচ্চ FODMAP খাবারের তালিকায় থাকলেও সব খাবার সবার পেটে সমস্যা করে না।আপনার শরীরের সুনির্দিষ্ট 'ট্রিগার ফুড' কোনটি, তা এই ডায়েরির মাধ্যমে কেবল আপনিই খুঁজে বের করতে পারবেন।
যেহেতু আইবিএস-এর মূল রিমোট কন্ট্রোলটি আমাদের মস্তিষ্কে, তাই চিকিৎসাবিজ্ঞানের আধুনিক পরিভাষায় একে বলা হয় "Gut-Directed Psychotherapy" বা ব্রেন-গাট থেরাপি। নিচের ৫টি নিউরোসায়েন্টিফিক পদ্ধতি আপনার মস্তিষ্ক ও অন্ত্রকে শান্ত করতে দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে:
১. ভ্যাগাস নার্ভ রিসেট (৪-৭-৮ ব্রিদিং): প্রথমে ৪ সেকেন্ড ধরে নাক দিয়ে গভীর শ্বাস নিন। এরপর ৭ সেকেন্ড শ্বাসটি ফুসফুসে ধরে রাখুন। সবশেষে ৮ সেকেন্ড ধরে মুখ দিয়ে ফুঁ দেওয়ার মতো করে সম্পূর্ণ বাতাস বের করে দিন। এটি সরাসরি আপনার Vagus Nerve কে উদ্দীপিত করে এবং মুহূর্তের মধ্যে পরিপাকতন্ত্রের রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক করে অন্ত্রের পেশির খিঁচুনি বা মোচড় তাৎক্ষণিকভাবে শান্ত করে।
২. প্রোগ্রেসিভ মাসল রিল্যাক্সেশন (PMR): বিছানায় একদম সোজা হয়ে আরাম করে শুয়ে পড়ুন। এবার চোখ বন্ধ করে আপনার শরীরের এক একটি অংশকে পর্যায়ক্রমে শক্ত করে আবার ছেড়ে দেওয়ার প্র্যাকটিস করুন।
যেমন: প্রথমে পায়ের পাতা ও আঙুলগুলো শক্ত করে কুঁকড়ে ৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর হুট করে ছেড়ে দিয়ে একদম আলগা করে দিন। এরপর একইভাবে আপনার কাফ মাসল, থাই বা উরু, পেট, হাত, বুক এবং সবশেষে মুখের পেশি বা চোয়াল শক্ত করে ৫ সেকেন্ড চেপে ধরুন এবং পর্যায়ক্রমে ছেড়ে দিয়ে একদম শিথিল করুন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের বায়োফিডব্যাক ট্রায়াল অনুযায়ী, পুরো শরীরের জমে থাকা ক্লান্তি ও টানটান ভাব যখন এভাবে হুট করে আলগা হয়ে যায়, তখন ব্রেন সংকেত পায় শরীর এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ ও শান্ত আছে। ফলে অন্ত্রের অনৈচ্ছিক মোচড় দেওয়া ব্যথা প্রায় ৪০% পর্যন্ত কমে আসে।
৩. মাইন্ডফুল ইটিং বা মনোযোগী আহার: খাওয়ার সময় সামনে কোনো ফোন বা ল্যাপটপ রাখবেন না। প্রতি লোকমা খাবার মুখে নিয়ে ভাল করে চিবিয়ে চিবিয়ে গিলুন। আপনি যখন শান্ত হয়ে চিবিয়ে খাবেন, ব্রেন তখন পাকস্থলীতে পর্যাপ্ত পাচক রস (Enzymes & Acid) নিঃসরণের সিগন্যাল পাঠাবে, যা পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা দূর করে।
৪. ডিজিটাল ডিটক্স ও স্লিপ হাইজিন: রাতে ঘুমানোর ঠিক ১ ঘণ্টা আগে সব ধরণের ডিজিটাল স্ক্রিন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখুন। রাতের বেলা ব্রেন যদি মোবাইলের নীল আলো না পায়, তবে সে পর্যাপ্ত Melatonin (ঘুমের হরমোন) তৈরি করতে পারে, যা রাতের কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের লেভেল কমিয়ে দেয় এবং সকালবেলা ঘুম থেকে উঠলে পেট মোচড় দেওয়ার অভ্যাস দূর করে।
৫. থট ডাম্পিং বা ‘চিন্তা খালি করা’: প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে একটি ডায়েরি ও কলম নিয়ে বসুন। মাথায় যে যে চিন্তা, ভয়, বা আগামীকালের কাজের চাপ ঘুরপাক খাচ্ছে তা খাতায় লিখে ফেলুন। যখন চিন্তাগুলো মাথা থেকে কাগজে নেমে আসে, ব্রেনের Prefrontal Cortex শান্ত হয় এবং শরীর 'লড়াইয়ের মুড' থেকে গভীর ঘুমের মুডে চলে যায়, যা অন্ত্রের ভেতরের প্রদাহ (Low-grade inflammation) নিরাময় করতে সাহায্য করে।
আপনার পেট আসলে আপনার অবচেতন মনেরই একটা প্রতিচ্ছবি। মনকে দুশ্চিন্তামুক্ত ও শান্ত রাখার অভ্যাস গড়ুন, পেট নিজে থেকেই সুস্থ হতে শুরু করবে।
IBS সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে খাবার ও লাইফস্টাইল ঠিক করুন, এবং প্রয়োজনে ওষুধ নিন। সঠিক চিকিৎসা, চিন্তামুক্ত মন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইলের মাধ্যমে IBS সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
লেখক: ডাঃ মুশতারী মিমি
এমবিবিএস, এমপিএইচ ( ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটি ,কানাডা)।