ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ স্বাস্থ্যকথা ]

গর্ভাবস্থায় এই খাবারগুলো খেলেই বিপদ!

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪৯, ১১ ডিসেম্বর ২০২০
গর্ভাবস্থায় এই খাবারগুলো খেলেই বিপদ!
ছবি: গর্ভাবস্থায় যে খাবারগুলো বিপদজনক হতে পারে

গর্ভকালীন সময়টা একজন নারীর জীবনে সেরা সময়। সবাই এই সময়টা খুব ভালোভাবে উপভোগ করতে চান। তবে শরীরের নানা পরিবর্তনের কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠে না। শরীরের পাশাপাশি মানসিক বিভিন্ন পরিবর্তন আসে।

নিজেকে সুস্থ রাখতে খাবারের বিকল্প কিছু হতে পারে না। আবার গর্ভকালীন সময়ে শুধু মায়ের নিজের সুস্থতার বিষয় নয়। জড়িয়ে আছে অনাগত সন্তানের সুসবাস্থ্যের ব্যাপারও। সে কারণেই খাবারের বেলায় সচেতন হন। বিশেষ করে শীতের সময়টাতে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভাবস্থায় কিছু খাবার মা এবং অনাগত শিশু উভয়ের জন্যই বিপদজনক হতে পারে। এগুলো অনেক সময় গর্ভপাতেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এই সময় কিছু খাবার এড়িয়ে চলুন। জেনে নেয়া কোন খাবারগুলো এই সময় খাবেন না-

Advertisement

আরো পড়ুন: শীতকালে কিডনি সুস্থ রাখবে বাঁধাকপি

জাঙ্ক ফুড

গর্ভবতী নারীদের বাইরের জাঙ্ক ফুড খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এসব খাবারে পেট খারাপ হতে পারে। যদি এই জাতীয় খাবার খাওয়ার পরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তবে আপনাকে ঔষধ খেতে হবে। যা গর্ভে বেড়ে ওঠা শিশুর জন্য সমস্ত ওষুধ একেবারেই ভালো নয়। তাই স্ট্রিট ফুড, জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকাই ভালো।

অ্যালকোহল

গর্ভাবস্থায় অ্যালকোহল সেবন করলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। ধূমপান বা অ্যালকোহল কোনোটাই এই সময় নেয়া উচিত না। অতিরিক্ত ডোপামিন হরমোন ক্ষরণ এই সময় বাচ্চার ক্ষতি করে।

উচ্চ পারদযুক্ত মাছ

পারদযুক্ত মাছগুলো খেতে পারেন। তবে এক মাসে এক বা দুইবারের বেশি মাছ খাওয়া একদমই উচিত নয়। উচ্চ পারদযুক্ত মাছের মধ্যে হাঙর, সওয়ার্ডফিশ, টুনা, কিং ম্যাকেরেল এবং টাইল ফিশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কাঁচা স্প্রাউটস

স্প্রাউটস খুব স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। তবে কাঁচা স্প্রাউটস-এ সালমোনেলার ​​মতো ব্যাকটিরিয়া থাকতে পারে। রান্না করার পরে এটা দূর হতে পারে।

তৈলাক্ত খাবার

এই সময় তৈলাক্ত খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলুন। যতটা সম্ভব তৈলাক্ত এবং জাঙ্ক ফুড থেকে দূরে থাকুন, কারণ এতে উচ্চ পরিমাণে লবণ এবং চিনি থাকে ও প্রচুর প্রিজারভেটিভ কেমিকেলও উপস্থিত থাকে। যা মা এবং শিশুকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই টাটকা খাবার খাওয়া উচিত এবং খাবারে যতটা সম্ভব ক্যালসিয়াম ও আয়রনের পরিমাণ বাড়ানো উচিত।

আরো পড়ুন: হরমোনের সমস্যা দূর করবে যেসব খাবার

ক্যাফেইন

অনেকের মধ্যেই চা বা কফি খাওয়ার প্রবণতা আছে। স্ট্রেস কমাতে অনেকে এক কাপ চা বা কফি বেছে নেন। চেষ্টা করুন এই প্রবণতা কমানোর বা এর থেকে দূরে থাকার। অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে গেলে মিসক্যারেজের সম্ভাবনা বা কম ওজনের শিশু হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেএসকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!