ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিক্ষা ]

শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদের কথা

অলংকার গুপ্তা, হাবিপ্রবি
প্রকাশিত: ২০:৩৭, ২৬ জুন ২০২৩
শিক্ষার্থীদের ভাবনায় ঈদের কথা
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঈদ মানেই উৎসাহ-উদ্দীপনার উৎসব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ঈদের ছুটির গুরুত্ব অনেক বেশি। এই উৎসবকে কেন্দ্র করেই শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিনের ছুটি পান। বড় ছুটিতে বাড়ি ফেরার সুবর্ণ সুযোগও থাকে। 

আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে কী ভাবছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা? কোথায় কাটাবে এবারের ঈদ? নানা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত তুলে ধরেছেন হাবিপ্রবি প্রতিনিধি অলংকার গুপ্তা

সবাই পাশাপাশি থাকার আনন্দটা কিছুটা বেশিই

Advertisement

বছর ঘুরে আবার চলে এসেছে ঈদ। এই ঈদে কুরবানির বিষয় থাকায় স্বভাবতই একটু আলাদা আমেজ থাকে। ক্যাম্পাসও বন্ধ। বরাবরের মতো আবারো একদম শূন্যতায় ছেয়ে যাবে হাবিপ্রবি। এরই মধ্যে রাস্তাঘাটে অনেক শিক্ষার্থীকে দেখা যাচ্ছে ব্যাগ হাতে ক্যাম্পাস ছাড়তে। পাশাপাশি সবার মুখে একই প্রশ্ন, ‘বাসায় কবে যাবা?’ 
আসলে ঈদের সময়টাতে পরিবারের সবার একসঙ্গে হওয়ার আনন্দটা ভিন্ন রকমের। কুরবানির সারাদিন পরিবারের সবাই পাশাপাশি থাকার আনন্দটা কিছুটা বেশিই ভালো লাগার। 

সবশেষে বলতে চাই, কুরবানি ঈদ যেহেতু আমাদের ত্যাগের শিক্ষা দেয়, এই শিক্ষা একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে সবাই মনে ধারণ করবে বলে আশা করি।

শাকিল হাসান
ইংরেজি বিভাগ

আমার কাছে এগুলোই ঈদ

এবারেই সম্ভবত অনার্স জীবনের শেষ ঈদ হতে যাচ্ছে। বাসাতেই ঈদ উদযাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। একান্নবর্তী পরিবারে বড় হয়েছি, তাই ঈদও সবাই মিলেই করা হয়। বড় উৎসব পরিবারের সঙ্গেই কাটানো হয়। বাবা-চাচা এবং ভাইদের সঙ্গে নামাজ পড়তে যাওয়ার অনুভূতিটা আসলেই অন্যরকম। বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার সময়টাও আনন্দের। 

আমার কাছে এগুলোই ঈদ। তবে ঈদে একটাই আশা, ঈদ সবার জীবনে খুশি বয়ে নিয়ে আসুক।

মোরসালিন হোসেন মুরাদ
এগ্রিকালচার অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং

নিজের উপার্জনে শপিং করব!

ঈদকে নিয়ে দারুণ উত্তেজনা রয়েছে। বাসায় ফেরার আনন্দ- ছোটবেলার বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বন্ধুরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পড়ালেখা করি। তারাও ঈদকে কেন্দ্র করে বাড়ি ফিরবে। পাশাপাশি ঈদকে ঘিরে কেনাকাটা করার আনন্দ। এবারের ঈদে প্রথম নিজ উপার্জনে কেনাকাটা করব। এটা ভেবেই ভালো লাগছে। ট্রেনে গ্রামের বাড়ি ফিরব। ঈদের দিন পরিবারের সঙ্গে খানাপিনা হবে। তারপর বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরব- আড্ডা দেব।

নাজমুল খান
ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ

সবার মুখে হাসির প্রত্যাশাই বেশি!

ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রস্তুতি পশু কেনার মাধ্যমেই শুরু হয় প্রস্তুতি। প্রতিবছর হাটে গিয়ে নানা জাতের পশু দেখা এবং দামদর করি। বিক্রেতার অনেক দাম হাঁকানোর বিপরীতে খুবই অল্প দাম বলার বিষয়টি উপভোগ্য! যেহেতু গ্রামের বাড়িতে ঈদ উদযাপন করি, সেক্ষেত্রে মাঝে-মধ্যে প্রতিবেশীদের পশু বিক্রি করতে হাঁটে যায়। দারুণ সব অভিজ্ঞতা হয় দিনগুলোতে। সর্বোপরি, ঈদের দিনে আল্লাহর রাস্তায় পশু কুরবানির মধ্য দিয়ে নিজেদের পশুত্ব (হিংসা-নিন্দা, অহংকার) দুর করে গরিব প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে গোশত বিলিয়ে দিয়ে তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করব। তাদের মুখে হাসি দেখার প্রত্যাশাই বেশি।

মাসেদুল ইসলাম
গণিত বিভাগ

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
ট্যাগ: হাবিপ্রবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!