মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, মাছের রোগ নিরাময়ে নির্দেশনা ও ব্যবস্থাপত্র প্রদান করার জন্য অ্যাকুয়াটিক অ্যানিমেল হেলথ এর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়াশুনা করা প্রয়োজন, যা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ গ্র্যাজুয়েটরা পড়ে থাকে। এছাড়া, ওয়ার্ল্ড অরগানাইজেশন ফর অ্যানিমেল হেলথ- অ্যাকুয়াটিক অ্যানিমেল হেলথ কোড এর ৬.২.৭ ধারায় স্পষ্টত অ্যাকুয়াটিক অ্যানিমেল হেলথ প্রোফেশনালসরা ব্যবস্থাপত্র দিতে পারবে মর্মে বলা আছে। কিন্তু খসড়া বিধিমালায় তা সূক্ষ্মভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে।’
মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, ‘নতুন এই বিধিমালায় তাদের প্রতি বৈষম্য করা হয়েছে। এই ভিত্তিহীন নীতিহীন বিধিমালা যদি দ্রুত সময়ের ভিতরে সংশোধন করা না হয় তাহলে হাবিপ্রবিসহ সারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিদ একত্রিত হয়ে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
.png)