ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ শিক্ষা ]

পাটের পণ্য ব্যবহারে আমরা হীনমন্যতায় ভুগি- সিকৃবি উপাচার্য

ফরিদুল ইসলাম, সিকৃবি
প্রকাশিত: ২১:৫১, ৫ জুন ২০২৩
পাটের পণ্য ব্যবহারে আমরা হীনমন্যতায় ভুগি- সিকৃবি উপাচার্য
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জামাল উদ্দিন ভূঞা বলেছেন, ‘জাতিগতভাবে পাটের তৈরি পণ্য ব্যবহারে আমরা হীনমন্যতায় ভুগি। এই হীনমন্যতায় আমাদের প্লাস্টিক ব্যবহারমূখীতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।’

সোমবার (৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বনায়ন ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে ক্যাম্পাসে র‍্যালি ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য আরো বলেন, আমরা পরিবেশের কি পরিমাণ ক্ষতি করেছি তা এই তপ্ত রোদে টের পাচ্ছি। অবাধ প্লাস্টিকের ব্যবহার আর যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলা আমাদের একটা বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে। প্লাস্টিক আমাদের পরিবেশের জন্য কতোটা ক্ষতিকর তা স্কুল পর্যায়ের শিক্ষাব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে শিশুদের বোঝাতে হবে। 

প্লাস্টিকের অবাধ ব্যবহার ও যত্রতত্র ময়লা ফেলা থেকে সংযত থাকতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীসহ সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

র‍্যালিটি দুপুর ১টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণের পর কৃষি অনুষদ ভবনের সামনে শেষ হয়। এ সময় কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. সামিউল আহসান তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সহযোগী অধ্যাপক ড. রানা রায়ের সঞ্চালনায় র‍্যালি পরবর্তী সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপাচার্য। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দফতরের পরিচালক, প্রক্টর, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য শিক্ষক, বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ।  

সভায় কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সামিউল আহসান বলেন, আমাদের পরিবেশের যে ক্ষতি আমরা ইতোমধ্যে করে ফেলেছি তার জন্য সচেতনতা এবং বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের এখন বৃক্ষরোপণে ব্যক্তিগত ও জাতীয় উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।

র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে কৃষি অনুষদ ভবনের উত্তর পাশে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় কৃষি বনায়ন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, শিক্ষক সমিতি ও কৃষ্ণচূড়া সাংস্কৃতিক সংঘ তিনটি বৃক্ষ রোপণ করে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেবি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!