ঢাবির ৭ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কার
ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিষয়টি ডেইলি বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছেন শৃঙ্খলা পরিষদের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাস রুমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে শৃঙ্খলা পরিষদের এক সভায় এ সুপারিশ করা হয়। বহিষ্কারের এই সুপারিশ আগামী সিন্ডিকেট মিটিংয়ে উত্থাপন করা হলে সেখানে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীরা ২০১৩-১৪ থেকে ২০১৬- ১৭ সেশনের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থী। এই সাত শিক্ষার্থী ছাড়াও ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য দুই শিক্ষার্থীকে শোকজ নোটিশ দেয়া হয়েছে।
প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ডিজিটাল ভর্তি জালিয়াতি এবং অবৈধ পদ্ধতি অবলম্বন করে ভর্তি হওয়ায় আমাদের সাত শিক্ষার্থীকে স্থায়ী বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। ভর্তি জালিয়াতিতে যুক্তরা ২০১৩-১৪ সেশন থেকে শুরু করে ২০১৬-১৭ সেশনের ভর্তি পরীক্ষায় অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেছিলেন। আর দুই জনকে সাময়িক বহিষ্কার করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া পরীক্ষার খাতায় অসঙ্গতিপূর্ণ নাম্বার দেয়ায় তিন শিক্ষককে তিন বছর পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ থেকে অব্যহতি দিয়েছো শৃঙ্খলা পরিষদ। ওই শিক্ষকরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. এএসএম আতিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. গোলাম আজম ও সহকারী অধ্যাপক মাইনউদ্দীন মোল্লা।
একইসঙ্গে সভায় পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ ও অনুষদের ১৫০ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থীর শাস্তির সুপারিশ করেছে শৃঙ্খলা কমিটি। এদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষক ও ১৪৭ জন শিক্ষার্থী।
প্রক্টর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত কলেজের ১৪৭ জন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করার জন্যে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।