সতর্ক, সজাগ ও সচেতন থাকলে কোন অপশক্তি সুযোগ নিতে পারবে না
বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার বলেছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম মেলবন্ধন। সবাইকে নিয়ে সহাবস্থানে এ উৎসব পালন করতে হবে। কোন ধরনের গুজবে কান দেয়া যাবে না। বর্তমান সময়ে ফেসবুক একটি বড় বিড়ম্বনার কারণ। এখানে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখেই বিশ্বাস করা যাবে না। তথ্য যাচাই করে নিতে হবে। বাজার কিংবা কোন অনুষ্ঠানে ভীড়ের মধ্যে পকেটমার সুযোগ নিতে তৎপর থাকে।
তা ছাড়া বখাটেদের উৎপাতও দেখা যায় অনুষ্ঠানের মধ্যে। পকেটমার বা তৃতীয় কোন শক্তি বিশৃঙ্খলা করতে পারে। এজন্য সবাইকে সতর্ক, সজাগ, সচেতন থাকতে হবে। তাহলে কোন অপশক্তি সুযোগ নিতে পারবে না।
বুধবার বিকেলে ঝালকাঠি মদন মহোন আখড়াবাড়ি মন্দির ও দুর্গা মন্ডপ পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এসএম বায়েজিদ ইবনে আকবর।
বক্তৃতা করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নির্মল চন্দ্র দে তরুণী, সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট তপন রায় চৌধুরী, দিলীপ দাস ও প্রকৌশলী দিলীপ হালদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অলোক সাহা। এসময় প্রধান অতিথিকে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, মন্ডপ কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অপরদিকে রাজাপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেছেন বরিশাল রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মো. জুলফিকার আলী হায়দার। এ সময় তিনি পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজাপুর উপজেলা শ্রীশ্রী হরি সভা কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেন ডিআইজি। এ সময় তিনি উপস্থিত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের মতামত ও বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন।
পরিদর্শনকালে মো. জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও সহযোগিতা প্রয়োজন। পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া সার্কেল) মো. শাহ আলম, রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রতন দেবনাথ ও সাধারণ সম্পাদক গোপাল কর্মকারসহ স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।