ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

সুন্দরবন সংলগ্ন ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:৪২, ৬ অক্টোবর ২০২৬
সুন্দরবন সংলগ্ন ১৮ রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ পরিবেশ অধিদপ্তরের
সুন্দরবন সংলগ্ন রিসোর্ট। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের আশপাশে গড়ে উঠেছে রিসোর্ট ব্যবসা। সুন্দরবনের কোলঘেঁষে গড়ে উঠা এমন ১৮টি রিসোর্ট বন্ধের চূড়ান্ত নোটিশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

বন্ধের নোটিশ পাওয়া রিসোর্টগুলো হচ্ছে–সুন্দরী, ইরাবতী, অরণ্যছায়া, অরণ্যবাড়ী, কেওড়াবন, মায়াবন, গহন, দ্য ফরেস্ট রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি, লা সিলভা কটেজ, বনবিবি, বনমালী, গোলকানন, পিয়ালী, ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস ও বনলতা ইকো কটেজ। এর মধ্যে ১০ প্রতিষ্ঠানকে ৩০ দিন ও আট প্রতিষ্ঠানকে ১৫ দিনের মধ্যে সব স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে খুলনা বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সরদার শরীফুল ইসলাম জানান, এর আগে আরও ২ দফা এসব রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়। রোববার (৪ অক্টোবর) পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ রিসোর্ট মালিকদের লিখিতভাবে চূড়ান্ত নোটিশ দেন। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) ও বিধিমালা অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, নিয়মিত মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ জানান, সুন্দরবনের ঢাংমারী, কৈলাসগঞ্জ ও বাণিশান্তা এলাকায় ১৮টি রিসোর্ট রয়েছে। এগুলো খুলনা জেলা কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চিলা, বৈদ্যমারী ও চাঁদপাই বাগেরহাটের মধ্যে পড়ায় ওই রিসোর্টের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

তিনি বলেন, অনুমোদন ছাড়া রিসোর্ট নির্মাণ করায় এর আগে ১০টি রিসোর্টকে শোকজ করা হয়। তারা শোকজের জবাব এবং অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু আমাদের চাহিদামতো কোনো কাগজপত্র তারা দিতে পারেননি। এ জন্য গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের আবেদন বাতিল করা হয়। গতকাল সব প্রতিষ্ঠানকেই কার্যক্রম বন্ধ করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নতুন তৈরি হওয়া আটটি রিসোর্ট সাত দিনের মধ্যে গ্রহণযোগ্য স্থানে স্থানান্তরের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর চিঠি দেওয়া হয়। তবে তাদের পদক্ষেপ দৃশ্যমান না হওয়ায় সাত দিনের মধ্যে ওই রিসোর্ট বন্ধ এবং ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

ডেইলি-বাংলাদেশ/খুলনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!