জামালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু
জামালপুর রেলওয়ে স্টেশনের পূর্ব আউটার সিগনালের কাছে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রী তাহমিনা আক্তার (২৫) এর মৃত্যু হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুর রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নয়ন চন্দ্র সরকার। ওই কলেজছাত্রীর বাড়ি নারায়ণগঞ্জে। সে বাড়ি থেকে একাই জামালপুরে চলে এসেছিলো।
.png)
জানা যায়, ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭:৫০ মিনিটে ঢাকা অভিমুখে ছেড়ে যাওয়া আন্তঃনগর অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যায় তাহমিনা আক্তার। তিনি নারায়ণগঞ্জের তোলারাম সরকারি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তার বাবা সেলিম মিয়া ও মা পারভীন আক্তার ঢাকায় কদমতলির শনিরআখড়ায় বসবাস করেন। তাহমিনার পরনে ছিলো জামা, পায়জামা ও বোরকা।
ধারণা করা হচ্ছে তাহমিনা হয়তো রেললাইনের শুয়েছিল। চলন্ত ট্রেনের চাকা তার ঘাড়ের উপর দিয়ে যায়। এতে ঘাড় ও মাথা থেতলে গেছে। তার ঘাড় থেকে দেহ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এছাড়াও শরীরের অন্যান্য অঙ্গেও গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে একটি পার্টস ব্যাগে তার কলেজের স্টুডেন্ট আইডি কার্ড থেকে তার মায়ের নাম ও ফোন নম্বর পাওয়া যায়। তার মা-বাবাকে ফোনে জানানো হয়েছে। তারা তাদের মেয়ের মরদেহ নেয়ার জন্য ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছেন। ২২ সেপ্টেম্বর সকালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে কি কারণে তাহমিনা জামালপুর এসেছে এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোনো কিছু নিশ্চিত করা যাযনি।
জামালপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার শারীরিক বর্ণনা এবং দুর্ঘটনায় আঘাতের বিস্তারিত বিবরণ লিপিবদ্ধ করে মরদহ উদ্ধার করে পলিথিন ও কাপড়ে মুড়িয়ে জামালপুর জংশন রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের মসজিদের পাশে রিকশাভ্যানে রেখে দিয়েছেন। ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মরদেহ সাময়িক রাখা বা সংরক্ষণের জন্য কোনো ঘর থানায় এখানেই রাখা হয়।
জামালপুর রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নয়ন চন্দ্র সরকার জানান, কলেজের স্টুডেন্ট আইডি কার্ড থেকে তাহমিনার মা-বাবাকে ফোনে জানানো হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর সকালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে তার পরিবারের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।