আবুল কালাম উপজেলার এগারোসিন্দুর গ্রামের বাসিন্দা। মটরশুটি চাষে তিনি এখন অনেক চাষির অনুপ্রেরণা।
জানা গেছে, চর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলার বেশ কিছু এলাকায় প্রথমবারের মতো মটরশুঁটির আবাদ হয়। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় প্রথমবারেই তারা সাফল্য অর্জন করেন। নতুন ফসল হওয়ায় এবং কম খরচে অধিক লাভ পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে সাড়া ফেলেছে এর আবাদ। আগামীতে এ উপজেলায় মটরশুঁটির আবাদ সম্প্রসারিত হবে বলে জানান স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
.png)
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বিঘা জমিতে মটরশুঁটির আবাদ হয়েছে। প্রথমবারের মতো এখানে মটরশুঁটির আবাদ করানো হয়েছে। উপজেলা কৃষি বিভাগ প্রদর্শনীর মাধ্যমে কৃষকদের প্রণোদনা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে মটরশুঁটির আবাদ করিয়েছেন। এতে প্রথমবারই কৃষকেরা সাফল্য পেয়েছেন। সঠিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করায় ফলন ভালো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে মটরশুঁটির চাহিদা থাকায় দামও পাচ্ছেন ভালো। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি মটরশুঁটি পাইকারি ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে কৃষকেরা লাভবান হবেন।
কৃষক আবুল কালাম বলেন, আগে ধান ও সবজি চাষ করতাম। এবার প্রথমবার মটরশুঁটি চাষ করি। খরচ কম হয়েছে, আর বাজারদর ভালো থাকায় লাভও হয়েছে বেশি। এতে আমি সন্তুষ্ট।
তিনি জানান, তার জমিতে মটরশুঁটির ভালো আবাদ হওয়ায়, আশপাশের অনেকেই মটরশুঁটি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এতে এই এলাকায় আগামীতে মটরশুঁটির আবাদ আরো বাড়বে।
এগারোসিন্দুর র্যাকের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো.মোফাজ্জল হোসেন বলেন, কৃষক আবুল কালাম ভাইকে সহযোগিতা ও পরামর্শ দিয়ে মটরশুঁটির আবাদ করানো হয়েছে। এতে তিনি প্রথমবারেই সফলতা পেয়েছেন। তার সফলতা দেখে অনেক চাষিই মটরশুঁটি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুরে-ই-আলম জানান, পরীক্ষামূলকভাবে উপজেলায় পাঁচ বিঘা জমিতে মটরশুঁটির আবাদ করা হয়েছে। এতে এখানকার মাটি ও আবহাওয়া মটরশুঁটি চাষের জন্য উপযোগী হিসেবে ধারণা পাওয়া গেছে। আগামীতে এখানে মটরশুঁটির আবাদ সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করছি।