বুধবার দুপুরে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মিরেরটেক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় তিতাসের ৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী আহত হন। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে সোনারগাঁ থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন লিমিডেট কোম্পানির মেঘনা জোনের ম্যানেজার প্রকৌশলী সুরজিত কুমার সাহা জানান, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মিরেরটেক এলাকায় অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করে আসছেন স্থানীয়রা। ফলে সরকার বিশাল অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। বুধবার ওই এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করা হয়। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে ওয়াহিদ ও তিতাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
.png)
তিনি আরো বলেন, অভিযানে ওই এলাকার প্রায় এক কিলোমিটার গ্যাস সংযোগ লাইনের পাইপলাইন তুলে ফেলা হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে লাঠিসোঁটা, কাঠের টুকরো নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। হামলায় সোনারগাঁ আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন, তিতাসের শ্রমিক ইব্রাহিম, খৈয়ম বেপারী, ইমু মিয়াসহ ৫ জন আহত হন। তাদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঘটনাটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান প্রকৌশলী সুরজিত কুমার সাহা।
তালতলা ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ মো. ফেরসৌদ ইসলাম বলেন, তিতাসের অভিযানে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকালে শতাধিক লোক একত্রিত হয়ে হামলা করে। ঘটনার সময় প্রশাসনের পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারী বলেন, তিতাস গ্যাসের অভিযানে হামলার ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ দায়ের করেনি।