ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ব্যবসায়ীকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে হেনস্তার অভিযোগ

গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:১৫, ৬ জানুয়ারি ২০২৫
ব্যবসায়ীকে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে হেনস্তার অভিযোগ
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও অভিযুক্ত এসআই

গাজীপুরের শ্রীপুরে এক ব্যবসায়ীকে হাতকড়া পরিয়ে আটকের পর দুই লাখ টাকা রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। আটকের পর ঐ ব্যবসায়ী হাতকড়া পরা অবস্থায় মোবাইল ফোনে সেলফি তুলে নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। এরপর আটক ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দিয়ে টাকাও ফেরত দিয়েছেন অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা। তবে টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন তিনি।

জানা গেছে, গত শুক্রবার শ্রীপুর উপজেলার নয়নপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সবুজ সরকার শ্রীপুর উপজেলার ধনুয়া গ্রামের আফতাব উদ্দিন সরকারের ছেলে। তিনি নয়নপুর হানু মার্কেটে মোবাইল ও মোবাইল অ্যাকসেসরিজের ব্যবসা করেন। অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল কুদ্দুস মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ।

সবুজ সরকার অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচা সুলতান সরকারের ইশারায় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তাকে আটক করেন। আটকের পর পানির পাইপের সঙ্গে তাকে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়।

Advertisement

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আরো অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার বিকেলে নয়নপুর হানু মার্কেট এলাকা থেকে তাকে আটক করেন এসআই আবদুল কুদ্দুস। আটকের পর তার সঙ্গে থাকা দুই লাখ টাকাসহ একটি ব্যাগ ছিনিয়ে নেন ঐ এসআই।

পরে ফাঁড়ির পাশে পানির পাইপের সঙ্গে তাকে হাতকড়া পরিয়ে রাখা হয়। ঐ অবস্থায় তিনি মোবাইল ফোন থেকে সেলফি তুলে ফেসবুকে পোস্ট দেন। ফেসবুক পোস্ট নজরে আসলে তড়িঘড়ি তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর ছিনিয়ে নেয়া দুই লাখ টাকাও ফেরত পাঠিয়েছেন এসআই কুদ্দুস।

সবুজ সরকার অভিযোগ করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। আমার বাবার সঙ্গে চাচা সুলতান উদ্দিন সরকারের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। আমার চাচার ইশারায় এসআই কুদ্দুস আমাকে আটক করেছিলেন।

অভিযুক্ত মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আবদুল কুদ্দুস বলেছেন, তার বড় ভাই সুমন সরকারকে ভেবে সবুজ সরকারকে আটক করা হয়েছিল। তাকে পুলিশ ফাঁড়িতেও নেয়া হয়নি। জমি সংক্রান্ত বিরোধের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় তাকে আটক করা হয়।

আটকের সময় সবুজ সরকারের কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ সঠিক নয় বলেও দাবি করেন ঐ এসআই।

এ বিষয়ে গাজীপুরের পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী যাবের সাদেক বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। সবুজ সরকারকে ডেকে পাঠিয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!