ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মেঘনায় বিলাসবহুল চলন্ত দুই লঞ্চের সংঘর্ষ

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৩:৩৮, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
মেঘনায় বিলাসবহুল চলন্ত দুই লঞ্চের সংঘর্ষ
ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের বিলাসবহুল দুই যাত্রীবাহী চলন্ত লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।  

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত ২টার দিকে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী কীর্তনখোলা-১০ এবং ঢাকা থেকে বরিশালগামী প্রিন্স আওলাদ-১০  লঞ্চের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে।

বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের উপ-পরিচালক ও নদী বন্দর কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, বরিশাল থেকে প্রিন্স আওলাদ-১০ এবং ঢাকা থেকে কীর্তনখোলা-১০ পৃথকভাবে প্রায় তিন হাজার যাত্রী নিয়ে গন্তব্যের উদ্যেশে ছেড়ে যায়। দুটি লঞ্চ চাঁদপুরের কুয়াশার কবলে পড়ে। এ সময় হরিনা নামক স্থানে লঞ্চ দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি লঞ্চেরই সম্মুখ ভাগ দুমড়ে-মুছড়ে যায়। এর মধ্যে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি ঢাকায় পৌঁছে গেছে। তবে প্রিন্স আওলাদ-১০ দুর্ঘটনা স্থলেই রয়েছে। 

Advertisement

এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের যাত্রী মনির হোসেন জানান, রাত সোয়া ২টা থেকে আড়াইটার দিকে তাদের বহনকারী লঞ্চটি মেঘনা নদী দিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল।  হঠাৎ বরিশালগামী এমভি প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চের অগ্রভাগের সঙ্গে আমাদের বহনকারী এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের অগ্রভাগের বিকট শব্দে সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় লঞ্চের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে লঞ্চের চালক কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চকে তাৎক্ষণিক নদী তীরে নিয়ে ভাসিয়ে রাখে।  

প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চের যাত্রী মেহেদি হাসান জানান, বিকট শব্দ আর লঞ্চ দুলে ওঠার আতঙ্কে ঘুম থেকে উঠে কেবিন থেকে বের হয়ে দেখি ঘন কুয়াশা। একহাত সামনেও কিছু দেখা যাচ্ছে না। পরে লঞ্চের সামনের অংশে গিয়ে দেখি কীর্তনখোলা-১০ নামে অন্য একটি লঞ্চের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: চাঁদপুর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!