এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ বাংলাদেশি ১৪ হাজার ৭০৭ টাকা ও নগদ ৪০৫ ভারতীয় রুপি, একটি স্মার্টফোন, তিনটি বাটন ফোন, এক ভরি স্বর্ণালংকার, ৭ ভরি রৌপ্য অলংকার, দুটি হাত ঘড়ি জব্দ করা হয়। বুধবার রাতে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
আটককৃতরা হলেন- ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ধন্দুগাঁও এলাকার মনিরাম চন্দ্র বর্মন (৫১), তার স্ত্রী হিরা রানী বর্মন (৩৫), ছেলে রিপন চন্দ্র বর্মন (২১), মেয়ে পাপড়ি রানী বর্মন (১৩) ও মনিরামের ভাতিজা নিমাই চন্দ্র বর্মন (২৩)। তবে মনিরামের মেয়ে পাপড়ি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাকে পরিবারের অন্য সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া অপর ৪ জনের বিরুদ্ধে তেতুঁলিয়া থানায় বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
.png)
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ঠাকুরগাঁওয়ের এক দালালের মাধ্যমে এক লাখ টাকার বিনিময়ে বুধবার পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের শিবচন্ডি এলাকা দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। এ সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৪৬ ব্যাটালিয়নের মদনবাড়ি ক্যাম্পের টহল দলের সদস্যরা তাদের বাধা প্রদান করে বিজিবির শুকানী ক্যাম্পে অবগত করেন। পরে বিজিবি সদস্যরা সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের আটক করে শুকানী ক্যাম্পে নিয়ে যান।
নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক শেখ মো. বদরুদ্দোজা বলেন, সীমান্ত দিয়ে দালালের মাধ্যমে এক লাখ টাকার বিনিময়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন তারা। আমাদের টহল দল তাদের সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করেছে। এ ঘটনায় তেতুঁলিয়া থানায় বিজিবির পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ, মাদক, চোরাচালান রোধে বিজিবি সদা প্রস্তুত।