এদিকে শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।
নিহত অরিনা বেগম ওই এলাকার আবুল কালামের স্ত্রী।
.png)
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে নিজেদের ঘরে এশার নামাজ আদায় করছিলেন অরিনা বেগম। এ সময় ঘরে ঢুকে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে একের পর এক আঘাত করেন। এ সময় মাটিতে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন অরিনা। রাতে স্থানীয় বাজার থেকে বাড়িতে ফিরে শুনশান নীরবতা দেখতে পান আবুল কালাম। এ সময় ঘরে গিয়ে দেখেন স্ত্রী অরিনা মাটিতে রক্তাত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে আবুল কালামের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
নিহত অরিনার বড় ছেলে চাকরির সুবাদে ঢাকায় থাকেন। তার আরেক ছেলে ওয়াহিদুজ্জামান অমিত নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কাজলদিঘী কালিয়াগঞ্জ ইউনিয়নের সভাপতি। তবে তিনি রাজনৈতিক কারণে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
বোদা থানার ওসি আজিম উদ্দীন বলেন, ঘটনার পরে ওই এলাকায় গিয়েছিলাম। সুরতহালে নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার মাথায় একাধিক আঘাত করা হয়েছে। আমরা মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।