উদ্ধার হওয়া অপহৃতরা হলেন, নুরুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার, বাঁচা মিয়ার ছেলে গিয়াস উদ্দিন, জালাল আহমদের ছেলে বেলাল উদ্দিন, আবুল হোছনের ছেলে আবু বকর, নুরুল আলমের ছেলে মুহাম্মদ আলম, আজিজুর রহমানের ছেলে কফিল ও নুরুল হোছন। তবে দুই রোহিঙ্গার নাম-ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, অপহরণকারীরা প্রথমে ফোনে দেড় লাখ টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করেছে। অবশেষে দুই লাখ ৭৪ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে অপহৃতদের ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। অপহৃতদের মারধর করেছে ডাকাতরা। এখন তাদের চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
.png)
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, ফিজিক্যাল এবং টেকনিক্যাল দুইভাবেই অপহৃতদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। মুক্তিপণের টাকা দিয়ে চলে আসার বিষয়টি এখনও জানেন না। এ ব্যাপারে খোঁজ খবর নিচ্ছেন।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য বলছে, এ নিয়ে গত এক বছরে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৩৬ জনের অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ৮১ জন স্থানীয় বাসিন্দা ও ৫৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৬৯ জন মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন।