অপহৃতরা হলেন, নুরুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার, বাঁচা মিয়ার ছেলে গিয়াস উদ্দিন, জালাল আহমদের ছেলে বেলাল উদ্দিন, আবুল হোছনের ছেলে আবু বকর, নুরুল আলমের ছেলে মুহাম্মদ আলম, আজিজুর রহমানের ছেলে কফিল ও নুরুল হোছন। তবে দুই রোহিঙ্গার নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমেদ আনোয়ারী জানান, স্থানীয় ৭ জন কৃষক অপহরণ হয়েছে বলে শুনেছি। পাহাড়ের পাদদেশে ক্ষেত খামারে কাজ করার সময় তাদেরকে অপহরণকারীরা ধরে নিয়ে যায়। বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে বলে আমাকে জানিয়েছেন।
.png)
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, বিষয়টি জানার পর পুলিশ উদ্ধার অভিযানে কাজ করছেন।
কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য বলছে, এ নিয়ে গত এক বছরে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৩৬ জন অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ৮১ জন স্থানীয় বাসিন্দা, ৫৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিক। অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৬৯ জন মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন।