এর আগে, সোমবার (২৮ অক্টোবর) সকালে মারধরের পর দুপুর থেকে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাজশাহীর বাসগুলো বালিয়াঘাটা পর্যন্ত পৌঁছালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শ্রমিকরা বাস ঘুরিয়ে দেয়। এরপরে আর রাজশাহী থেকে বাস ছেড়ে যায়নি আর চাঁপাই থেকে কোনো বাস ছেড়ে আসেনি।
তবে শ্রমিক নেতারা বলছেন, সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। বুধবার (৩০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষের শ্রমিকদের বসার কথা রয়েছে। তারপরে বাস চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
.png)
বদরুদ্দেজা নামের এক যাত্রী জানান, বাস চলাচল বন্ধের কারণে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে তাদের গন্তব্যে যেতে হচ্ছে। বাসের ভাড়া থেকে তারা ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি ভাড়া নিচ্ছে। আবার গাড়ি পুরো ভর্তি না হওয়া পর্যন্ত গাড়ি ছাড়ছে না। বাসের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে।
যাত্রী নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজশাহী থেকে গোদাগাড়ীর ভাড়া চাওয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। কিন্তু ভাড়া ৫০-৭০ টাকার মধ্যে। রাতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়ছে।
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, গতকাল সোমবার রাজশাহীর তিনজন চালককে চাঁপাইয়ে মারধর করা হয়েছে। তাদের মধ্যে হানিফ কেটিসি চালক সেলিম (৪০), ন্যাশনাল ট্রাভেলসের চালক লিটন (৪৫) ও হানিফ পরিবহনের শামীম (৪৮) আহত হয়েছে। তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি, আগামীকালই সমস্যার একটা সমাধান হবে।
এদিকে আন্তঃজেলা বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা গেছে, কাউন্টারের ভেতরে টিকিট মাস্টার বসে অলস সময় পার করছেন। একটি জেলার বাস চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রী সংখ্যা কম। আর গোরহাঙ্গা রেলগেটে চাঁপাই রুটে বাস কাউন্টার বন্ধ রয়েছে।