মৃত জান্নাতুল ফেরদৌস ভড়ুয়াপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান মহাবিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিলেন।
এ বিষয়ে ভাই আলামিন বলেন, জান্নাতুল ফেরদৌস এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। সে ফেল করেছে। এটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে ঘরের মধ্যে গিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। পরে আমরা জানালা ভেঙে উদ্ধার করলেও সে মুহূর্তে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। সেখানে স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
এ বিষয়ে পাগলাকানাই ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম বলেন, আমি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে ছিলাম। বাসা থেকে ফোন এলো জান্নাতুল আত্মহত্যা করেছে। আমি তাৎক্ষণিক বাসায় গিয়ে দেখি মারা গেছে। কি জন্য আত্মহত্যা করেছে জানাতে চাইলে তিনি বলেন, মূলত পরীক্ষায় ফেল করার কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্বজন এবং স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, তিনি পরীক্ষায় ফেল করায় আত্মহত্যা করে মারা গেছেন। স্থানীয় এবং পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহতের স্বজনরা জানান, জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তারা। বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের কান্নায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।