ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের অভয়নগরে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং ওই বাড়িতে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের নাউলী গ্রামের মুনসুর শেখের বাড়ির সামনে অনশনে বসেন ওই তরুণী। বুধবারও তিনি ফের অনশনে বসেন।
প্রেমিক ইমন শেখের মা রাবেয়া বেগম বলেন, রাতে একটি অপরিচিত মেয়ে বাড়িতে এসে পানি খেতে চায়। দরজা খুলে দিলে ঘরে ওঠে বসে মেয়েটি। পরে মেয়েকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছি। এরপর থেকে আমার ছেলের ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তার কোনো খোঁজ আমি জানি না।
.png)
অনশনে থাকা ওই তরুণী জানান, পাঁচ বছর ধরে ইমনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। এরপর থেকে বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন ইমন। তারই ধারাবাহিকতায় সোমবার সকালে তাকে খুলনায় নিয়ে যান। সারাদিন বিভিন্ন স্থানে ঘুরে রাতে ইমন তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। তার মা পরিচয় জানতে পেরে ইমনকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। এরপর থেকে ইমন পলাতক, তার ফোনও বন্ধ।
তিনি আরো বলেন, পরে আমি তার প্রতিবেশী চাচার রাড়িতে রাত্রিযাপন করছি। আর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ইমনদের একটি নির্মাণাধীন ভবনে অনশনে বসছি। ইমন যদি আমাকে বিয়ে না করে, তবে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।
উপজেলার সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম জানান, ছেলে ও মেয়ের মধ্যে বৈবাহিক কোনো সম্পর্ক নেই। প্রেমের সম্পর্কের কারণে মেয়েটি ছেলের বাড়ির পাশে অবস্থান নিয়েছে। মেম্বার উজ্জলকে বিষয়টি দেখতে বলেছি।
অভয়নগর থানার ওসি এস এম আকিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়েছি। তবে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হবে।