শনিবার বিকেলে সোনামসজিদ আমদানি ও রফতানিকারক গ্রুপের কার্যালয়ে আমদানি-রফতানি বিষয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর সোনামসজিদ আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপ পানামা পোর্ট লিংকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ভারতের মহদিপুর এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন বরাবর চিঠি দেয়।
.png)
এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে সোনামসজিদ আমদানিকারকরা পাথর আমদানিতে অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার বিরুদ্ধে পানামা পোর্ট লিংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সোনামসজিদ আমদানি ও রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি জনাব মো. শাহাবুদ্দীন ও সেক্রেটারি জনাব মামুনুর রশিদ, সোনামসজিদ পানামা পোর্ট লিংকের জেনারেল ম্যানেজার জনাব বেলাল হোসেন, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি জনাব মো. আউয়াল হোসেনসহ প্রায় ১০০ জন।
সভায় বিজিবি অধিনায়ক আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও সোনামসজিদ পানামা পোর্ট লিংকের প্রতিনিধির উভয় পক্ষের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি শোনেন। পরে তিনি সাময়িকভাবে তাদের আমদানি-রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ জানান এবং আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সোনামসজিদ পানামা পোর্ট লিংকের নির্বাহী প্রধান, স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে পুনরায় আলোচনা করে আলোচ্য বিষয়ে সমাধানের আশ্বাস দেন। কিন্তু সোনামসজিদ আমদানি ও রফতানিকারকরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে আমদানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন।
তাদের উল্লেখযোগ্য দাবিসমূহ:
(১) সরকারি সব ফি সমূহ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা৷
(২) সরকারি কোন ফি বাবদ কত টাকা দিতে হবে তার পরিপূর্ণ লিস্ট প্রকাশ করা।
(৩) ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত পানাম পোর্ট কর্তৃক আদায়কৃত অর্থের পরিপূর্ণ অডিট করা।
(৪) সেবার মান বৃদ্ধি করা ইত্যাদি।