শনিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের হলরুমে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের এক সাধারণ সভায় এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
জানা গেছে, পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়াতে সে কমিটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে সকল আমদানি-রফতানিকারক ও ব্যবসায়ীর সম্মতিক্রমে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। আগামী ৩ মাসের মধ্যে সদস্য সংগ্রহসহ যাবতীয় কাজ শেষে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে ৪র্থ মাসে ভোটের আয়োজন করবে নতুন কমিটি।
.png)
আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা হলেন- রাশেদ আলী সরকার, আবুল কালাম আজাদ, আবদুল্লাহ আল মামুন, মোতালেব, সোহেল রানা মানিক (প্রধান), হারুনুর রশিদ বাবু, মোজ্জাফর হোসেন, অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব সরকার, ইদ্রিস আলী, রুবেল আলী, আব্দুল লতিফ ও আনসার আলী।
সভায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের সকল ব্যবসায়ী, সিএন্ডএফ এজেন্টসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাবান্ধা আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের নতুন আহ্বায়ক রেজাউল করিম শাহীন বলেন, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর একটি চতুর্দেশীয় স্থলবন্দর। বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনাময় বন্দর এটি। এ স্থলবন্দরে ব্যবসায়ীদের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে সকলে মিলে একটি সুন্দর ব্যবসায়িক পরিবেশ গঠন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাব।
গ্রুপের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক কুদরত-ই খুদা মিলন বলেন, বেশ কয়েক মাস আগে আমাদের কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরমধ্যে সাধারণ সভার ডাক দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়ার মাঝে দেশে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। দেশের সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সভা করা সম্ভব হয়নি।
কুদরত-ই খুদা মিলন আরো বলেন, শনিবার আমরা উপস্থিত না থাকলেও পুরাতন কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের খবর পেয়েছি। তবে আমি চাই গুরুত্বপূর্ণ এই বন্দরটিতে দেশের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে সকলে মিলে একটি সুন্দর ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি রেখে কাজ করবে। নতুন এই কমিটিকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। আশা করি সুন্দরভাবে তারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।