এ নিয়ে ইয়ার্ডটিতে বিস্ফোরণে দগ্ধ দুজনের মৃত্যু হলো। নিহত খায়রুল শেখের বাড়ি পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার দাশেরকাঠি গ্রামে।
তার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ রাহাদ জানান, সীতাকুণ্ডের ঐ ইয়ার্ডে কাজ করতেন খাইরুল। থাকতেন কারখানার পাশের একটি মেসে। বিস্ফোরণে তার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। চট্টগ্রাম মেডিকেল থেকে শনিবার রাতে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ভর্তি করা হয় বার্ন ইনস্টিটিউটে।
.png)
এর আগে, শনিবার রাতে সেখানে মারা যান আহমদুল্লাহ নামে একজন।
শনিবার বেলা ১২টার দিকে সীতাকুণ্ডের কাশেম জুট মিল এলাকার এস এন কর্পোরেশন নামে ইয়ার্ডটিতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর দগ্ধ ও আহত হন ১২ জন। চিকিৎসার জন্য প্রথমে তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আটজনকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. তরিকুল ইসলাম জানান, বাকি ছয়জনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। এরমধ্যে চারজনকে আইসিইউতে এবং দুজনকে এইচডিইউতে রাখা হয়েছে। ২৫ থেকে ৮০ শতাংশ দগ্ধের পাশাপাশি তাদের সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।