বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুপুরে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোকবুল হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, নীলফামারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর, জেলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীরুল ইসলাম প্রমুখ।
নিহত বুলু মিয়া জেলা সদরের চড়াইখোলা ইউনিয়নের চড়াইখোলা মুন্সিপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। গ্রেফতারকৃত সোহাগ জেলা সদরের ওই ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের খায়রুল ইসলাম ওরফে শাহাবুল মেকারের ছেলে।
.png)
পুলিশ সুপার মোকবুল হোসেন জানান, গত ২৭ জুলাই রাতে আসামি সোহাগ ও তার সহযোগীরা এক যৌনকর্মীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। সেখানে বুলু মিয়াও ছিলেন। এরমধ্যে এক আসামি বুলুকে যৌন উত্তেজনাবর্ধক ওষুধ সেবন করান। এতে চেতনা হারিয়ে ফেলেন বুলু। সুস্থ হয়ে বুলু আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে পারে বা মামলা করতে পারে এই আশঙ্কায় পরিকল্পিতভাবে তাকে একটি ধানের জমিতে কাদার মধ্যে উল্টো করে মুখ চুবিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর নিহতের মা ময়না বেগম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার ৪৪ ঘণ্টার মধ্যে এই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ আসামি স্বাধীনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সঙ্গে ওই যৌনকর্মীর বক্তব্য মিলে যায়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়াও ২০১৭ সালে চড়াইখোলা চৌধুরীপাড়ায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি স্বাধীন।