জানা গেছে, রোববার রাত ৯টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন মশিউর। অনেক খোঁজাখুজি করেও সন্ধান পায়নি তার পরিবার। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের দোয়ানিয়া ফকিরপাড়া গ্রামের মরিচের জমিতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মশিউরের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়ার পাশাপাশি বাম হাঁটুতে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা না গেলেও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হয়। তার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা, ইয়ারফোনসহ লাশের দুইশ গজ দূরে রাস্তার পাশ থেকে ব্যবহৃত ডায়ান-৮০ মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ফুলবাড়ী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি চিত্ত রঞ্জন রায় ঘটনাস্থাল পরিদর্শন করেছেন। মৃত্যুর সঠিক তারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
.png)
নিহতের ভাই মোশারফ হোসেন জানান, রোববার রাত থেকে নিখোঁজ থাকার পর সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। যারা আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে আমি তাদের বিচার চাই।
পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি চিত্ত রঞ্জন রায় বলেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তবে সঠিক কারণ খুঁজতে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে ঘটনা তদন্তে কাজ করছে পুলিশের একাধিক দল।