টিম প্রধান এসআই আমিনুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরে প্রশিক্ষণ বাতিল করে তাকে বগুড়ায় ফেরত পাঠানোর পর ডিবি থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে তদন্তকারী কর্মকর্তা পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সিগ্ধ আখতার জানান, এসআই ও পাঁচ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। অভিযোগের সত্যতা পেলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
.png)
বগুড়া ডিবি পুলিশ ও অন্য নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, অনুমতি ছাড়াই এসআই আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি টিম গত ১২ মে ঢাকার মিরপুর ২ নম্বরের বড়বাগ এলাকায় ‘গেস্ট হাউস’ নামে আবাসিক হোটেলে অভিযোগ চালানো হয়। সেখানে ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মাদক ব্যবসায়ী রুবেলকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে মুক্তাগাছা থানায় তিনটি মাদক মামলার ওয়ারেন্ট আছে। পরে সাত লাখ ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে রুবেলকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বগুড়া ডিবি পুলিশের টিম ঢাকার মিরপুরে অভিযানে যাওয়ার সিসিটিভির ফুটেজ প্রকাশ হয়। বাধ্য হয়ে ডিবির এসআই আমিনুল ইসলাম ও পাঁচ কনস্টেবল টাকাগুলো ফেরত দেন। পরে গত ৩০ জুন এসআই আমিনুল ইসলামকে পুলিশ সদর দফতরে ৩৬ দিনের ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুল (ডিটিএস) প্রশিক্ষণে পাঠানো হয়।
বগুড়া ডিবির ওসি মোস্তাফিজ হাসান জানান, অনুমতি ছাড়া ডিবি টিমের জেলা বা বাইরে অভিযান চালানোর সুযোগ নেই। অভিযানে গেলে অফিসে সাধারণ ডায়েরি করতে হয়। তাকে অবহিত না করেই এসআই আমিনুল ইসলাম পাঁচ কনস্টেবলকে নিয়ে ঢাকার হোটেলে অভিযানে গিয়েছিলেন। ওই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের পর পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। কনস্টেবলরা এখানে কর্মরত আছেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সবার বিরুদ্ধে তদন্ত করছেন। অভিযোগের সত্যতা পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।