সোমবার কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। রায় ঘোষণা সময় আদালতে ১৫ জন আসামির মধ্যে ১২ জন উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে আদালত।
কুমিল্লা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মো. জহিরুল ইসলাম সেলিম জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৬ সালে ১২ আগস্ট রাতে সদর দক্ষিণ উপজেলার ধনাইতরি এলাকায় আসামির পক্ষের লোকজন গিয়াসউদ্দিন ও জামাল হোসেনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান ১২ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত চার-পাঁচ জনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২০১৭ সালের ২০ আগস্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে দাখিল করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারকার্যে আসামিদের জবানবন্দি এবং ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।
.png)
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন তোফায়েল আহমেদ তোতা, কামাল হোসেন, মো. মামুন, আলমগীর হোসেন, বাবুল ও হারুনুর রশিদ। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন হায়দার আলী, আবদুল মান্নান, জামাল হোসেন, আবুল বাশার, জাকির হোসেন, আবদুল কাদের ও আবদুল কুদ্দুস।
মামলার বাদী হত্যাকাণ্ডের শিকার গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান জানান, আদালতের এই রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে দ্রুত রায় কার্যকর করারও দাবি জানান তিনি।
রায় ঘোষণা শেষে গ্রেফতার আসামিদেরকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন আসামিদের স্বজনেরা।