খেওয়াই গ্রামের কৃষক জিয়াউর রহমান জানান, এবার তিনটা গরু লালন-পালন করে বড় করেছেন তিনি। প্রতি বছরই তিনি কোরবানির ঈদে গরু বিক্রি করেন। তার গরু কখনো বাজারে গিয়ে বিক্রি করতে হয় না। ক্রেতারা বাড়িতে এসেই গরু কিনে নিয়ে যান। ক্রেতারা বাড়িতে এসে ছবি তোলে তাদের স্বজনদের কাছে পাঠান। আবার অনেকেই দল বেধে আসেন গরু দেখতে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত একটা গরু ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন তিনি। বাকি দুইটা গরুও ক্রেতারা দেখে গেছেন। এবার কোরবানিতে গরু বিক্রি করে আবার গরু কিনবেন তিনি। কোনো প্রকার কেমিক্যাল জাতীয় খাবার খাওয়ানো হয় না তার গরুকে।
.png)
তিনি আরো বলেন, প্রতি বছরই গরু বিক্রি করে ভালোই লাভ হয় আমার। এবার তিনটা গরু বিক্রি করে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি।
কৃষক আল আমিন বলেন, বংশগতভাবেই গরু পালন করে থাকি। প্রতি বছর গরু কিনে লালন-পালন করে কোরবানি ঈদের আগে তা বিক্রি করি। কখনো বাজারে গিয়ে গরু বিক্রি করতে হয় না। ক্রেতারা বাড়িতে এসে দেখে তাদের পছন্দ মতো গরু কিনে নিয়ে যান।
জেলা শহরের ক্রেতা রায়হাদ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে কৃষকের ঘরের গরু দেখতে এসেছি। গরুগুলো দেখে ভালোই লেগেছে। ছবি তোলে পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠিয়েছি। পাশাপাশি ভিডিও কল করেও দেখিয়েছি। বাড়িতে গিয়ে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিব। তবে দাম একটু বেশি মনে হচ্ছে।
আখাউড়া উপজেলার রজব আলী জানান, গরু দেখে পছন্দ হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের ভিডিও কল করে গরু দেখিয়েছি। তাদেরও পছন্দ হয়েছে। এখন দামে মিললে গরু কিনে বাড়ি যাব।
তিনি আরো বলেন, এখান থেকে কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই গরু কেনা যায়। এখানকার গরুগুলো দেশীয় খাবার খেয়ে বড় করা হয়। তাই এখানকার গরুর চাহিদা একটু বেশি।