বুধবার রাতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইয়ামিন হোসেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার (১৪ জুন) থেকে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ার বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে সাগরপথে পণ্যবাহী ট্রলার চলাচল করবে। তবে বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের ঘোলারচর পয়েন্ট থেকে ৫টি ট্রলারে কিছু পণ্য পাঠানো হবে। এরপর শুক্রবার (১৪ জুন) থেকে কক্সবাজার থেকে যাবে পণ্য।
.png)
তিনি আরো বলেন, নাফনদীতে যেহেতু ট্রলার দেখলেই গুলি ছোঁড়া হচ্ছে, সে কারণে বিকল্প পথ হিসেবে কক্সবাজার থেকে পণ্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই পথে নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি নেই।
তিনি আরো বলেন, মানুষের চলাচলও সীমিত আকারে স্বাভাবিক করা যাচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে যাদের টেকনাফে যাতায়াত করা দরকার তাদের শাহপরীর দ্বীপের ঘোলারচর থেকে নির্দিষ্ট ট্রলারে কোস্ট গার্ডের সহায়তায় যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে। তবে এই রুটে সীমিত আকারে ট্রলার চলবে শুধুমাত্র জোয়ারের সময়।
উল্লেখ্য, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটের নাফনদীতে গত ৫ জুন থেকে ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়েছে মিয়ানমারের ওপার থেকে। একের পর এক গুলিবর্ষণ অব্যাহত থাকায় গত ৭ জুন থেকে বন্ধ রয়েছে ট্রলার ও স্পিডবোট চলাচল। সেই থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে সেন্টমার্টিনের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ।