মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
.png)
দণ্ডপ্রাপ্ত আলাউদ্দিন (৪৮) বরিশাল সদর উপজেলার কুন্ডলীপাড়া গ্রামের মৃত আক্কাস আলীর ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৮ জুলাই সকালে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১৩) ২০ টাকা নিয়ে অভিযুক্ত আলাউদ্দিনের ঘরের ভেতরে কসমেটিক দোকানে কাজল কিনতে যায়। এ সময় জোরপূর্বক ধর্ষণ এবং ঘটনাটি কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ভীতি দেখান আলাউদ্দিন। ঘটনার কয়েক মাস পর ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে হাসপাতালে নিলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই কিশোরী ২৪ সপ্তাহ ১ দিনের অন্তঃসত্ত্বা বলে চিকিৎসক জানান।
এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে আলাউদ্দিনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মঙ্গলবার সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে এ রায় দেন আদালত।
অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার বলেন, রায়ে আদালত উল্লেখ করেন যে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের কারণে যে ছেলেসন্তান জন্মগ্রহণ করেছে তাকে তার মা কিংবা তার আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাবে। সন্তানটি তার বাবা বা মা কিংবা উভয় পরিচয়ে পরিচিত হতে অধিকারী। উক্ত সন্তানের বয়স ২১ বছর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহন করবে। উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার আলাউদ্দিনের কাছ থেকে আদায় করতে পারবে।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলাউদ্দিন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।