রোববার (৯ জুন) সকালে নেত্রকোণা পৌঁছে তারা অভিযান শুরু করেন। তবে বাড়তি কি কি পেয়েছেন তা পরে অভিযান শেষ হলে জানা হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। আজ সকাল থেকে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের ১৫ সদস্যের টিম এসেই অভিযান শুরু করেছেন।
প্রাথমিকভাবে ভবনটিতে তল্লাশি চালিয়ে বিদেশি পিস্তলসহ ১৭ রাউন্ড গুলি ও বেশ কিছু খেলনা পিস্তল, ওকি টকি, একটি সাউন্ড ফ্রুপ কক্ষ, বুলেট ফ্রুপ জ্যাকেট, হ্যান্ডকাফসহ নানা জিহাদি বই ও প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
.png)
এর আগে, শনিবার বিকেল থেকে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে সদর উপজেলার কাইলাটি ইউনিয়নের ভাসাপাড়া গ্রামের ও বাড়িটি ঘিরে রাখে পুলিশ।
এছাড়াও জেলার আরো দুই একটি স্থানে পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে রাতভর। প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানিয়েছে ভাসাপাড়া গ্রামে বাড়িটি আটপাড়া উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের ডুয়েটের সাবেক প্রফেসর মো. আব্দুল মান্নানের।
গত তিন বছর ধরে এই বাড়িতে কেউ আসা-যাওয়া করে না। ভেতর থেকেই বন্ধ রাখা হয় বলে জানান স্থানীয়রা। তবে ভেতর থেকে মাঝে মাঝে কেউ কেউ বের হতো।
পুলিশ জানায়, গোপন নজরদারির ফলে বাড়িটি বেশ কিছুদিন ধরে সন্দেহজনক মনে হয়। এরপর থেকে পুলিশ নজরদারিতে রাখে। তবে বাড়ির ভেতর একটি ফিশারি পুকুর রয়েছে। কিন্তু ওই পুকুরের মাছ কেউ তুলে কি-না বা বিক্রি করে কি-না এগুলোও কেউ কখনো দেখেনি।
নেত্রকোণা পুলিশ সুপার ফয়েজ আহমেদ বলে, আমরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল থেকেই বাড়িকে ঘিরে রেখেছিলাম। এরইমধ্যে বাড়ির ভেতর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ১৭ রাউন্ড গুলি, জিহাদি বইসহ নানি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও জেলার আরো একটি স্থানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন বলেন, নেত্রকোণা জেলা পুলিশের সহায়তায় আমরা এরইমধ্যে অভিযান পরিচালনা করেছি। ভবনের ভিতরে বিস্ফোরক জাতীয় বেশ কিছু বস্তুর সন্ধান পেয়েছি। ভেতরে আরো কোনো বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু আছে কি-না তা শনাক্তের জন্য কাজ করছেন বোমা ডিসপ্লেদার ইউনিটের সদস্যরা। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।