পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে পর্যাপ্ত লঞ্চ ও ফেরি থাকলেও পদ্মা ও যমুনা নদীতে পানি ও স্রোত বাড়ছে। তাই নৌপথে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে ভোগান্তির শঙ্কা রয়েছে। তবে, বাড়তি চাপ সামাল দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ।
আরো পড়ুন>> বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আরএস ফাহিম চৌধুরীর টিমের সদস্য তনু
.png)
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ জানান, পদ্মাসেতু হওয়ার পর এই দুই নৌপথে চাপ কমে আসলেও আমরা ব্যবস্থাপনা ঠিক রেখেছি। ঈদ উপলক্ষে এসব নৌপথে চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত ফেরি রাখা হয়েছে। গত বছরের ঈদের সময় কাজিরহাটে একটি ঘাট থাকায় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘাট সম্প্রসারণের কথা থাকলেও, তা এখনো সম্ভব হয়নি। নদীতে পানি ও স্রোত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব কারণে যদি ঘাটটি অচল হয়ে যায় তাহলে সমস্যায় পড়বে আরিচা-কাজিরহাট নৌ পথটি।
আরো পড়ুন>> নেত্রকোণায় স্বামীর কান ছিঁড়ে নিলেন স্ত্রী
শিবালয়ের ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ নাহিদ হোসেন জানান, ঈদের আগে ও পরে সাতদিন যেকোনো দুর্ঘটনা এড়াতে পাটুরিয়া ও আরিচা নদী বন্দর এলাকায় আমরা নিয়োজিত থাকবো।
পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান জানান, ঈদের আগে ও পরে মানিকগঞ্জ থেকে শুরু করে ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ নিয়োজিত থাকবে। ঘাট এলাকায় মলম পার্টিসহ যেকোনো অনিয়ম রোধে পুলিশ কাজ করবে।
আরো পড়ুন>> ঐতিহ্য ধরে রাখতে গরু-মহিষের গাড়িবহরে বিয়ে!
এবারের ঈদ যাত্রায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌপথে ছোট-বড় ২৩টি ফেরি, ৩৩টি লঞ্চ ও ৪১টি স্পিডবোট চলাচলের জন্য প্রস্তুত থাকবে। রাতের দিকে বন্ধ রাখা হবে স্পিডবোট।