স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ীর গাংগোবাড়ী পেট্রল পাম্পের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে মাটি ট্রাক্টরে করে নিয়ে আসা হয়। মাটি ফেলার পর রাসেল ভাইপারের মা সাপটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। দেখতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে হত্যা করা হয়। পরে একে একে ৫৩টি বাচ্চা সাপকে হত্যা করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে হত্যাকারীকে সফল অ্যাখ্যা দিয়ে মোহাম্মদ আলী নামে ঐ ব্যক্তিকে বাহবা দেওয়া হয়। এছাড়া সাপ থেকে রক্ষা পেতে সাপ দেখার সঙ্গে সঙ্গে হত্যার সুপারিশ করা হয়। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাপ বিশেষজ্ঞরা।
.png)
গোদাগাড়ীর ইউএনও মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার জন্য এ সাপগুলোকে রক্ষা করা জরুরি। আমরা সাপভীতি দূর করতে সচেতনামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছি। পাশাপাশি একটি প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের গামবুট দেওয়া হচ্ছে।
উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজশাহী বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদফতরের পরিদর্শক জাহাঙ্গীর বারি বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। সাপ হত্যা অপরাধ। রাসেল ভাইপার খুবই নিরীহ প্রকৃতির সাপ। সে ভয় পেলে আত্মরক্ষার জন্য দংশন করে থাকে। আসলে মানুষের মাঝে সাপভীতি দূর করা যাচ্ছে না। আমাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে।