রোববার ঘূর্ণিঝড় রেমেলের তাণ্ডবে তছনছ হয়ে যায় পুরো এলাকা। রামগঞ্জে ঘরে গাছ পড়ে এক শিশু নিহত হয়। আহত হয় তার নানি।
রামগতিতে প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাসে উড়ে গেছে ঘরের টিনের চাল। স্থানীয় রাশেদ নামে এক সিএনজি চালকের ঘর ভেঙে যায়। জেলা পরিষদের সদস্য মেজবাহ উদ্দিন হেলালের ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়।
.png)
রামগতির বিভিন্ন এলাকায় বর্তমান অবস্থা খুবই করুন। দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন সাধারণ মানুষ। কমলনগরের উপকূলের নাসিরগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে বিধ্বস্ত হয়েছে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি।
বর্তমানে বিধ্বস্ত এসব ঘরবাড়ির মানুষ খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। বৃষ্টিতে ভিজে স্ত্রী সন্তান নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন অনেকে। তবে এসব ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে স্থানীয় ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহান।
জেলা পরিষদের রামগতি সদস্য মেজবাহ উদ্দিন হেলাল বলেন, আমার নিজের ঘরের টিন উড়ে গেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় অনেকের ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এসব মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানান তিনি। পাশাপাশি নিজের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন তিনি।