এদিকে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। সন্ধ্যা হলেই চারদিকে শুধু অন্ধকার। মোমবাতি একমাত্র ভরসা। আবার কোথাও সার্জার লাইট জ্বালিয়ে স্বল্প সময়ের জন্য ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজ সারছেন অনেকে।
রেমেলের প্রভাবে উপকুলের বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে বিদ্যুতের খুঁটির উপর পড়ায় লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখছে কর্তৃপক্ষ।
সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে হাসপাতাল ক্লিনিক গুলো। এছাড়া দুর্গম প্রান্তের মানুষ গুলো বিপাকে পড়েছে।
.png)
লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের সমসেরাবাদ এলাকার গৃহবধূ মেরিনার আক্তার জেমি বলেন, গতকার (রোববার) রাত একটা থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সোমবার সারাদিন বিদ্যুৎ ছিল না। ব্যক্তিগত আইপিএস ব্যবহার করে পুরো দিন থাকলেও রাতে সেই ভরসাটাও নেই।
তিনি আরো বলেন, এখন অন্ধকারে সার্জার লাইট দিয়ে টুকিটাকি কাজ সেরে নিচ্ছি। তবে বিপাকে আছি। যদি কোথাও বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে দ্রুত কর্তৃপক্ষ তা মেরামত করে গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা নেয়া উচিৎ।
এদিকে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বলছেন, বিভিন্ন স্থানে বাতাসের কারণে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ লাইন ও খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাতের বেলা বোঝা যাবে না কোথায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দিনের বেলায় লোকজন কাজ করবে এবং বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের নিমিত্তে লাইন পুনরায় সচলের চেষ্টা করা হবে।