রোববার (১৯ মে) র্যাব হেডকোয়ার্টার থেকে তাকে প্রত্যাহারের আদেশ দেওয়া হয়। র্যাবের সংশ্লিষ্ট সূত্র তার প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, সোমবার থেকে আদেশটি কার্যকর হবে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে র্যাবের ভৈরব ক্যাম্পে সুরাইয়া খাতুন (৫২) নামের এক নারী আসামির মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়। ঐ নারী ময়মনসিংহের নান্দাইল এলাকায় বাসিন্দা।
.png)
জানা গেছে, গত ১৭ মে শুক্রবার সকাল ৭টায় র্যাব হেফাজতে থাকা সুরাইয়া খাতুন নামের এক নারী আসামি অসুস্থ হলে র্যাবের সদস্যরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সুরাইয়া খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত মরদেহ হাসপাতালের একটি কক্ষে পড়ে থাকে। পরবর্তীতে কিশোরগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপস্থিত থেকে নিহতের মরদেহের সুরতাল রিপোর্ট তৈরি করে কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠান।
পরবর্তীতে ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার দুপুর ১টার দিকে সুরাইয়া খাতুনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এরপর বিকেল ৩টার দিকে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বরুণাকান্দা ইউনিয়নের চন্ডিপাশা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে সুরাইয়া খাতুনের দাফন সম্পন্ন হয়।
ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বুলবুল আহমেদ বলেন, শুক্রবার সকালে সুরাইয়া খাতুনকে হাসপাতালে আনেন র্যাব সদস্যরা। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত অবস্থায় পান। পরে হাসপাতাল থেকে পুলিশ প্রশাসনকে জানালে ভৈরব থানা পুলিশ ও কিশোরগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এসে নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের পর নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের একজন চিকিৎসক মামলার বাদী হয়েছেন।