বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নেতারা বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের নিয়োগপত্র প্রদান, প্রশাসন কর্তৃক গাড়ির অন্যান্য কাগজপত্রের সঙ্গে নিয়োগপত্র চেকিং, চট্টগ্রাম জেলা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী কমিটির সদস্য শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ সেলিম, কর্মী আলমগীর ও চট্টগ্রাম আন্তঃজেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য মোহাম্মদ রফিকের মিথ্যা মামলার ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান, সড়ক পরিবহন সেক্টরে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা বন্ধ ও সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রশাসন, শ্রমিক সংগঠন, মালিক সংগঠনের ত্রিপাক্ষিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্বাধীনভাবে শ্রমিক কল্যাণ/সার্ভিস চার্জ আদায়ে সহযোগিতা প্রদান, ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনের সংশোধন, অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা আইন বাতিল, চুক্তি অনুযায়ী বিপিসি কর্তৃক অবিলম্বে ট্যাংকলরী টার্মিনাল সংস্কার ও বিপিসি কর্তৃক বন্দরে ৫০% ভাড়া পরিশোধ, ক্যাটাগরি ভিত্তিতে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান ও ডোপ টেস্টের নামে হয়রানি বন্ধ, মেট্রো, জেলা, উপজেলা ও হাইওয়েতে সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের ওপর পুলিশি নির্যাতন বন্ধ এবং মেট্রো ও জেলাভিত্তিক প্রাইমমুভার ট্রেইলার ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণসহ অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহত্তর চট্টগ্রাম পণ্যবাহী সড়ক পরিবহন শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ ধর্মঘটের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
.png)
তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ উল্লিখিত দাবিসমূহ পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন স্তরে বারবার আলাপ আলোচনার পরও এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে আমরা এ কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, পরিষদ আহ্বায়ক রবিউল মাওলা, সদস্য সচিব আবুল খায়ের, শফিকুর রহমান, মো. ইলিয়াছ, হাজী আবদুস ছবুর, সেলিম খান, মোহাম্মদ আলী, আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।