শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি রেজাউল হক। এর আগে, সকালে উপজেলার কেওঢালা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, সুরেষ ডাকুয়া (৪০) ও তার ছেলে লোকেশ ডাকুয়া (৯)। আহত নিপু রায় (৩০) সুরেষ ডাকুয়ার স্ত্রী।
.png)
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, সকালে তারা খবর পান কেওঢালা বাসস্ট্যান্ডে রাস্তা পার হওয়ার সময় ওই তিনজনকে অজ্ঞাত একটি বাস চাপা দিয়েছে। এ খবর শুনে তারা সেখানে গিয়ে দেখেন, ঘটনাস্থলেই শিশুটি মারা গেছে। আহত স্বামী-স্ত্রী রাস্তায় কাতরাচ্ছেন। তখন দ্রুত তাদের দুইজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। তবে ঢাকা মেডিকেলে আনার পরপরই চিকিৎসক সুরেষ ডাকুয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত নিপু রায় জানান, তাদের বাড়ি ঝালকাঠির সদর উপজেলার খাজুরা গ্রামে। গ্রামে টেইলার্সের দোকান রয়েছে তার স্বামী সুরেষের। গত শনিবার গ্রাম থেকে স্বামী-সন্তানসহ নারায়ণগঞ্জে ‘বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী মন্দিরে’ এসেছিলেন পূজার জন্য। সেখান থেকে সকালে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। পথে কেওঢালা বাসস্ট্যান্ডে বাবার হাত ধরে রাস্তা পার হচ্ছিল শিশুটি। আর তাদের পেছনে ব্যাগ হাতে পার হচ্ছিলেন শিশুটির মা। এ সময় একটি বাস তাদের উপর উঠিয়ে দেয়।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি রেজাউল হক জানান, দুর্ঘটনার পর চালক পলাতক। গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। শিশুটির লাশ ঘটনাস্থল থেকে থানায় নেয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।