রোববার (১৪ এপ্রিল) রাত আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরভূতা গেয়ামের মেঘনা বাজার এলাকার নুরুল হকের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত জোসনা ও আহত আলাউদ্দিনের শরীরের বিভিন্ন অংশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, একই এলাকার বকুলের বাপের বাড়ির আবদুর রবের ছেলে সিরাজ, মাহফুজ ও নিজাম এ হামলা করে। তারা সম্পর্কে আলাউদ্দিনের খালাতো ভাই। আহত আলাউদ্দিন মেঘনা বাজার এলাকার মৃত শাহে আলমের ছেলে ও পেশায় সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ী। নিহত জোসনা তার স্ত্রী।
.png)
আহত আলাউদ্দিনের মামা নুরুল হকসহ স্বজনরা জানান, আলাউদ্দিনের বসতঘরের পাশে একটি পুকুর রয়েছে। ওই পুকুর থেকে অভিযুক্ত সিরাজ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে। গত সপ্তাহে একই পুকুর থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য সিরাজ সেচ পাম্প বসায়। এতে বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় আলাউদ্দিন বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঈদের ছুটিতে সিরাজের ভাই পারভেজ ও নিজাম বাড়িতে আসে। পূর্বের হাতাহাতির ঘটনার জেরেই দুই ভাইসহ প্রায় ১৪ জনকে নিয়ে সিরাজ মধ্যরাতে আলাউদ্দিনের বসতঘরে হামলা চালায়। এ সময় দা দিয়ে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী জোসনাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাদের আহত অবস্থায় সদর হাসপাতালে নিলে জোসনাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত আলাউদ্দিনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি সাইফুদ্দিন আনোয়ার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে কাউকে আটক করা যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।