বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পিপরুল ইউনিয়ন পরিষদের পরিত্যক্ত ভবনের ভেতরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
নিহত হিমেল উপজেলার পিপরুল গ্রামের মো. ফারুক সরদারের ছেলে। সে পাটুল-হাপানিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র ছিল। আটককৃতরা হলেন- একই এলাকার পার্থ, মেহেদী, সজুন ও শিমুল। এরমধ্যে পার্থ ও মেহেদী নিহত হিমেলের সহপাঠী বলে জানা গেছে।
.png)
নলডাঙ্গা থানার ওসি মনোয়ারুজ্জামান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে পার্থ নামে এক সহপাঠী তার বন্ধু হিমেলকে মোবাইলে পিপরুল ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ও পরিত্যক্ত ভবনে ডেকে নেয়। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পান স্বজনরা। পরে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হলেও বাড়িতে না ফিরলে পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে তারা পুলিশকে জানান।
পরে মোবাইলের সূত্র ধরে হিমেলের বন্ধু পার্থকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার দেওয়া তথ্যমতে রাত সাড়ে ১২টার দিকে পিপরুল ইউনিয়ন পরিষদের পুরাতন ও পরিত্যক্ত ভবন থেকে রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় হিমেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হিমেলের অপর বন্ধু মেহেদী এবং একই এলাকার বাসিন্দা শিমুল ও সুজন নামে আরো দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে নিহত হিমেলের মাথা, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে মাথায় আঘাত ও চাকু দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত জখম করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তার মুখের ভেতর পলিথিন কাগজ ঢোকানো ছিল।
তিনি আরো বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ শুক্রবার ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়াধীন।