মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের আফজলিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আবু ছৈয়দ একই এলাকার মৃত বদিউর রহমানের ছেলে।
আহতরা হলেন আবু ছৈয়দের স্ত্রী বুলবুল আক্তার, তার স্ত্রীর বড় ভাই খোকন, একই এলাকার আবদুল মজিদের স্ত্রী শাকিলা ও ছেলে এনাম।
.png)
আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় আবু ছৈয়দকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে মাঝ পথে মারা যায় আবু ছৈয়দ। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুইজনকে আটক করেছেন।
তারা হলেন আফজালিয়া পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে মহিউদ্দিন ও কামাল হোসেনের ছেলে জয়নাল আবেদীন জনু।
আবু ছৈয়দের শাশুড়ি মোবারেকা বেগম বলেন, আবু ছৈয়দ চিংড়ি ঘের থেকে দুপুরে খাবার খেতে আমার বাড়িতে আসেন। তিনি আমার বাড়িতে আসার খবর পেয়ে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা পাশের আলী আকবরের বাড়িতে অবস্থান নেয়। বিকেলের দিকে বাড়িতে হানা দেয় তারা। এ সময় ১৫-২০ জনের সন্ত্রাসীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাড়িতে ঢুকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। প্রাণ বাঁচাতে সে খাটের নিচে ঢুকে পড়ে। সেখান থেকে তাকে টেনেহিঁচড়ে বের করে হাত-পা চেপে ধরে কুপিয়ে ডান পা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলে। এ সময় কাটা পা নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর হায়দার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
২০২১ সালের ২ মে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মগনামায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীনকে। এ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামী ছিলেন আবু ছৈয়দ। জয়নাল হত্যা মামলায় জেল কেটে ছয়মাস আগে জামিনে বের হন আবু ছৈয়দ। জয়নাল হত্যার জেরেই আবু ছৈয়দকে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।